বাংলাদেশ জুট মার্কেটিং কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) মাদারীপুর জেলায় পাটের দেনা প্রায় ১১ কোটি ৩২ লক্ষাধিক টাকা। বিপুল পরিমাণ এ টাকা বকেয়া পড়ায় স্থানীয় পাট ব্যবসায়ীরা পড়েছেন বিপাকে। বকেয়া টাকার মধ্যে গত অর্থবছরের ৭ কোটি ৩২ লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া ২০১২-১৩ অর্থবছরের রয়েছে প্রায় ৪ কোটি টাকা।
জানা যায়, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে জেলার চরমুগরিয়া বন্দরে বিজেএমসির ১২টি এজেন্সি পাট ক্রয় শুরু করে। ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে এজেন্সিগুলো প্রায় ৪৯ হাজার ৫৮৭ কুইন্টাল পাট ক্রয় করে। একই সময়ে এজেন্সিগুলোর দেনার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা। তন্মধ্যে একমাত্র খালিসপুর জুট মিলসে বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৩৪ লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া লতিফ বাউয়ানী জুট মিলস লিমিটেডের দেনা প্রায় এক কোটি ২৪ লাখ টাকা ও বাংলাদেশ জুট মিলস এর ৯৭ লাখ টাকা।
গেল মৌসুমে পাট ব্যবসায়ীরা প্রতিমণ পাটের সর্বোচ্চ মূল্য পেয়েছে এক হাজার ৭শ’ টাকা এবং সর্বনিম্ন মূল্য পেয়েছে এক হাজার ৪শ’ টাকা। এদিকে ২০১২-১৩ অর্থবছরে মাদারীপুরে পাটের দেনা রয়েছে প্রায় ৪ কোটি টাকা। তন্মধ্যে ক্রিসেন্ট জুট মিলসে্র দেনার পরিমাণ এক কোটি টাকা। এছাড়া আমিন জুট মিলসের ৫৪ লাখ টাকা। প্লাটিনাম জুট মিলসের বকেয়া রয়েছে ৪৩ লাখ টাকা।
