দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানার জেটিঘাট টু কারখানা পর্যন্ত পানি সরবরাহ লাইনের কাজটি বিনা টেন্ডারে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে পাইয়ে দিতে প্রশাসন মরিয়া হয়ে উঠেছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষের প্রধান এমডি ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোন কাজ বিনা টেন্ডারে সম্পন্ন করার অধিকার রাখে। যেখানে ২৫ লক্ষ টাকার অধিক সেখানে ঐ কাজটি বিনা টেন্ডারে সম্পন্ন হওয়ার এখতিয়ার যমুনার কর্তৃপক্ষের নাই। যা সম্পন্ন করতে বিসিআইসির মতামত প্রয়োজন। এমতাবস্থায় কারখানার এমডি ও তালিকাভুক্ত ৩০ জন ঠিকাদারের মধ্যে মাত্র ৬ জন ঠিকাদার তার সাথে আঁতাত করে ঐ কাজটি বিনা টেন্ডারে সম্পন্ন করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে কারখানা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে গত শনিবার কারখানার এমডি এখলাস উদ্দিনের সাথে বার বার কথা বলার চেষ্টা করেও কথা বলা যায়নি। উল্লেখ্য, সমপ্রতি যমুনা সার কারখানার ওভার হোলিংয়ের নামে ৪৬ কোটি টাকার কাজ নিয়ে দুর্নীতির সংবাদ জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
