বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপন ও আমদানিসহ তিন বিষয়ে সমঝোতা সই হবে

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৪, ২২:০৭
নেপালে যৌথ বিনিয়োগে বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপন ও বিদ্যুত্ আমদানি করতে বাংলাদেশ-নেপাল সমঝোতা সই হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার নেপালের জ্বালানি মন্ত্রী রাধা কুমারী গেওয়ালী তিনদিনের সফরে বাংলাদেশ আসছেন। তার এ সফরের সময় এই সমঝোতা সই হবে। এ প্রসঙ্গে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন গতকাল ইত্তেফাককে জানান, নেপালের সাথে সমঝোতা করতে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বার্থ বিবেচনা করেই এই সমঝোতা করা হবে। এ বিষয়ে আলোচনায় ভারতও সম্মত আছে। নেপাল থেকে বিদ্যুত্ আনতে পারলে আমাদের খরচ অনেক কম হবে বলে তিনি জানান। পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক বলেন, জল বিদ্যুত্ বলে সেখানে প্রথম বিনিয়োগ ছাড়া জ্বালানির জন্য পরে কোন খরচ হবে না। তবে বিষয়গুলো আরও আলোচনার পর চূড়ান্ত চুক্তি করা হবে। জানা গেছে, বিদ্যুত্ বিষয়ে বাংলাদেশ ও নেপালের মন্ত্রী পর্যায়ের এটিই প্রথম বৈঠক। নেপালের বিদ্যুত্ মন্ত্রীর এ সফরে দু’দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথেও রাধা কুমারী গেওয়ালী সাক্ষাত্ করবেন। নেপালের মন্ত্রীর এ সফরে বাংলাদেশের সাথে তিনটি বিষয়ে সমঝোতা সই হবে। নেপাল থেকে বিদ্যুত্ আমদানি করা ও নেপালে বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনে যৌথ বিনিয়োগ করা ছাড়াও দুই দেশের বিদ্যুত্ বিষয়ে অভিজ্ঞতা বা জনবল বিনিময় বিষয়ে সমঝোতা সই করা হবে। বিদ্যুত্ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, নেপাল থেকে বিদ্যুত্ আমদানি করলে বাংলাদেশের আমদানি করা কয়লা বা তেল ভিত্তিক যে বিদ্যুত্ উত্পাদন করা হয় তার চেয়ে কম খরচ হবে। কারণ, নেপালে পানি থেকে বিদ্যুত্ করা হয় বলে উত্পাদন খরচ কম।