বিপিএল ফিক্সিং

আজ শুরু আপিল শুনানি

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৪, ২১:৩৬
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে সাজা প্রাপ্ত এবং অভিযোগকারী দুই পক্ষই রায়ের বিপক্ষে আপিল করেছেন। আজ সেই আপিল আবেদন নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ডিসিপ্লিনারি কমিটি শুনানি শুরু করবেন বলে জানালেন অভিযুক্ত পক্ষের এক আইনজীবী। ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলকে ৮ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ এবং দশ লাখ টাকা জরিমানা করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া শিহাব চৌধুরীকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ঢাকা গ্লাডিয়েটর্সেরই কৌশল লুকোরুয়াচ্চিকে ১৮ মাস ও লু ভিনসেন্টকে ৩৬ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। এই সব কজন সাজাপ্রাপ্ত আপিল করেছেন বলে জানা গেছে। এদিকে মূল অভিযোগে আইসিসি ও বিসিবির পক্ষে আরও কয়েকজনের নামে অভিযোগ আনা হয়েছিল। কিন্তু গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক রায়ে অভিযুক্ত সেলিম চৌধুরী, জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ রফিক, ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের কর্মকর্তা গৌরব রাওয়াত, জাতীয় ক্রিকেটার মোশাররফ রুবেল ও মাহবুবুল আলম রবিন এবং ইংলিশ ক্রিকেটার ড্যারেন স্টিভেন্সকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। এই কজনকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেয়ায় নিজেদের হতাশা আগেই প্রকাশ করা আইসিসি ও বিসিবির পক্ষ থেকেও আপিল করা হয়েছে। তারা বলেছেন, তাদের বিবেচনায় এই অভিযুক্তদের বিপক্ষেও যথেষ্ট প্রমাণাদি আছে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে চোখ রেখে আইসিসির দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিট (আকসু) অন্ততপক্ষে দুটি ম্যাচে ফিক্সিং হয়েছে বলে রিপোর্ট জমা দেয়। দীর্ঘ গুঞ্জনের পর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরেই আইসিসি ও বিসিবি সংবাদ সম্মেলন করে বলে ৯ জন খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা এই কেলেঙ্কারিতে জড়িত। পরে যুক্ত হয় আরও এক জনের নাম। এরপর গত ১৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি ও আইন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রশীদকে ডিসিপ্লিনারি কমিটির প্রধান হিসেবে মনোনীত করে বিসিবি। পরে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেন কমিটির বাকি ১০ সদস্যকে। এরপর ১০ নভেম্বর ওই ডিসিপ্লিনারি কমিটি সাবেক বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান করে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। ট্রাইব্যুনালের বাকি দুই সদস্য হলেন আজমালুল হোসেন কিউসি এবং সাবেক ক্রিকেটার শাকিল কাশেম।