সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা নিপুণ। বড়পর্দার পাশাপাশি বিশেষ দিবসগুলোকে কেন্দ্র করে ছোটপর্দায়ও দেখা মিলছে তার। নিজের সাম্প্রতিক কাজগুলো নিয়ে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
ঈদ পরবর্তী ব্যস্ততা সম্পর্কে বলুন।
সবমিলিয়ে ভালোই ব্যস্ততায় কাটলো ঈদ। বড়পর্দা-ছোটপর্দা দুই জায়গাতেই উপস্থিত ছিলাম। ‘আই ডোন্ট কেয়ার’ ছবিটি মুক্তি পেল। ছোট পর্দায় আমার তিনটি নাটক প্রচারিত হয়েছে—‘শুভগমন’, দ্বিধা দ্বন্দ্ব’ ও ‘ভালোবাসা সুপারস্টার’। এখন ড. অরূপ রতনের ‘স্বর্গ থেকে নরক’ ছবিটির শুটিংয়ে ব্যস্ত। এছাড়া এখন আর তেমন কোনো ব্যস্ততা নেই।
কাজের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণ কী?
আসলে আমি একটু বেছে কাজ করি। চরিত্রের ব্যাপারটা একটু গুরুত্ব দিয়েই বাছাই করি। কারণ বড়পর্দা এমন একটা জায়গা যেখানে একটি ভালো কাজ দর্শকদের মনে আজীবন গেঁথে থাকে। তেমনি একটি সমালোচিত কাজ দর্শকদের মাঝে একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে দেয়। তাই সেই জায়গাটায় একটু বেছেই এগোতে চাই। কাজ কম বা বেশি না, আমার মনের মতো কাজটাকেই আমি প্রাধান্য দিই।
বড়পর্দার মানুষদের কাজে ভাটা না পড়লে ছোটপর্দায় খুব একটা নিয়মিত দেখা যায় না তাদের, আপনার ক্ষেত্রে কী বলবেন?
আমিও কিন্তু নিয়মিত নই। আসলে আমি মূলত ঈদকে কেন্দ্র করে ছোটপর্দার কাজগুলো করে থাকি। সেটাও কিন্তু খুব বেশি না। কারণ ঈদে বড়পর্দাতে আলাদা ব্যস্ততা থাকে। সেই জায়গা থেকে যতটা সময় পাই আমি নাটক করি। তার আরও একটি কারণ দর্শক চাহিদা। ছোটপর্দাতেও আমার দর্শক আছে বলেই আমি কাজ করি। কিন্তু ‘নিয়মিত’র জায়গা আমার বড়পর্দা।
‘আই ডোন্ট কেয়ার’ ছবিটিতে আপনাকে নায়িকা চরিত্রে দর্শক পায়নি কেন?
এখানে আমি বাপ্পির বড় বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছি। গল্পের গুরুত্ব বিচারে আমি বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছি। এবং অবশ্যই আমার চরিত্রটি এখানে অন্যতম চরিত্র। যেই চরিত্রকে ঘিরে ছবিটির গল্প এগিয়ে যায়। আমি নায়িকা, তবে তারও আগে একজন অভিনেত্রী। সেই জায়গা থেকেই অভিনয় করি। যেমন ‘স্বর্গ থেকে নরক’ ছবিটিও কোনো নায়ক-নায়িকানির্ভর ছবি না। আমাদের সমাজ মাদকে কীভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সেই মেসেজটা এখানে আছে। তাই আমার কাছে চরিত্রটাই মুখ্য।
সামনে কী কাজ করছেন?
‘স্বর্গ থেকে নরক’ ছবিটির করার পর আপাতত আর অন্য কোন ছবিতে কাজ করছি না। দেশের বাইরে যেতে হচ্ছে আমাকে। প্রায় একমাস পর দেশে ফিরব। দেশে ফিরেই আবারও সবকিছু শুরু করব।
