মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, বাল্যবিয়ে রোধ এবং নারী শিক্ষার প্রসার ও প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্যক্রমে সংসদ সদস্যদেরও সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে ‘বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পার্লামেন্টেরিয়ানস অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ (বিএপিপিডি)। ‘ইউনাইটেড ন্যাশন্স পপুলেশন ফান্ড’ (ইউএনএফপিএ)-এর আর্থিক সহায়তায় দশম সংসদে সংসদ সচিবালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘স্ট্রেংদেনিং পার্লামেন্টস ক্যাপাসিটি ইজ ইন্টিগ্রেটিং পপুলেশন ইস্যুজ ইন্টু ডেভেলপমেন্ট’ (এসপিসিপিডি) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় গঠিত বিএপিপিডি’র মঙ্গলবার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বিএপিপিডি কমিটির পরিচিতি, এসপিসিপিডি প্রকল্পের পরিচিতি, এডভোকেসি প্ল্যান ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। প্রকল্পের মাধ্যমে জেন্ডার সমতা, নারী ও শিশু-কিশোরদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করতে পারলে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে মত ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, সংসদ-সদস্যদের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি করে বাল্যবিয়ে রোধ করা সম্ভব। বাল্যবিয়ে রোধ করতে পারলে মাতৃ মৃত্যুহারও কমে আসবে।
বৈঠকে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, নিরাপদ প্রজনন স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণ এবং গবেষণার ফলাফল জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়ন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং কিশোর-যুব উন্নয়নের লক্ষ্যে কমিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে তিনটি উপ-কমিটি গঠনেরও সুপারিশ করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য সংসদের চিফ হুইপ আ.স.ম. ফিরোজ, হুইপ শাহাব উদ্দিন, রেবেকা মমিন, আ.ফ.ম. রুহুল হক, মজিবুর রহমান ফকির, ডা. সিরাজুল আকবর, হাবিবে মিল্লাত, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ফজিলাতুন নেসা, সেলিনা বেগম, সানজিদা খানম, মাহ্বুব আরা বেগম গিনি, এনামুর রহমান, নূর-ই হাসনা লিলি চৌধুরী এবং ফরহাদ হোসেন বৈঠকে অংশ নেন। সংসদের সিনিয়র সচিব আশরাফুল মকবুল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
