ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে অসম যুদ্ধের মেয়াদ দেখতে দেখতে একমাস পার হলো। ইসরাইল দুই কিশোরকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে গাজাবাসীদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ শুরু করে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে। হামাস বিষয়টিকে অস্বীকার করেছে যে, তারা অপহরণ করেনি। অনেকের সন্দেহ ইসরাইলের নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য এটি একটি অজুহাত মাত্র। এখন তারা আর একটি অজুহাত দেখাচ্ছে যে, হামাসের কৃত সব সুড়ঙ্গ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা আক্রমণ চালিয়ে যাবে।
এ পরিস্থিতিতে যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখবো যে ফিলিস্তিন ভূমিতে আরব-ফিলিস্তিনিরা খুব কম করে হলেও সপ্তম শতাব্দী থেকে বসবাস করে আসছিল। ১৯৪৭ সালে ইউরোপ-আমেরিকা নিয়ন্ত্রিত জাতিসংঘ সেই ভূমিকে ভাগ করে ইহুদিদের জন্য ইসরাইল এবং আরবদের জন্য ফিলিস্তিন নামে দুটো পৃথক রাষ্ট্র তৈরির সিদ্ধান্ত নিল। ইসরাইল ১৯৪৮ সালে মে মাসে স্বাধীনতা ঘোষণা করে, আরবরা তা প্রত্যাখ্যান করে, শুরু হয় যুদ্ধ, আর তা চলছে আজঅবধি। ইউরোপ-আমেরিকার মদদপুষ্ট ইসরাইল জাতিসংঘ নির্ধারিত নতুন ফিলিস্তিনের অনেক জায়গা দখল করে নেয়, জাতিসংঘ ১৯৪৭ সালে সীমান্তে ফেরত যেতে বললেও ইসরাইল তাতে অস্বীকৃতি জানায়। অন্তত সাত লাখ ফিলিস্তিনিকে ভিটেছাড়া হতে হয়। তারপর থেকে আরও অনেক যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞ সংঘটিত হয়। এর মধ্যে ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধ উল্লেখযোগ্য। এসব যুদ্ধে ইসরাইল ফিলিস্তিনের আরও ভূমি দখল করে নিয়েছে, আরও ফিলিস্তিনিকে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোয় পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে শরণার্থী শিবিরে, আর কখনও নিজ দেশে ফিরতে পারেনি। ১৯৫৮ সালে ইয়াসির আরাফাত ‘ফাত্তাহ’ সংগঠন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রাম শুরু করেন। আরব লীগের উদ্যোগে বিভিন্ন ফিলিস্তিনি সংগ্রামী সংগঠনের সমন্বয়ে ‘ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থা’ গঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। এতে ফিলিস্তিনিদের ঐক্যবদ্ধ মুক্তি সংগ্রাম নতুন মাত্রা পায়। এভাবে ফিলিস্তিনিরা ‘ফিলিস্তিনি’ নামের একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে। ১৯৮৭ সালে অধিকৃত ফিলিস্তিনে ফিলিস্তিনিরা প্রথম ইন্তিফাদা শুরু করেন। ইসরাইল ফিলিস্তিনি তরুণ ও কিশোররা পাথর হাতে তুলে নেয় ইসরাইলী কামান আর গোলাবারুদের সামনে। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী এই প্রথম ইন্তিফাদায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি হতাহত হয়, গ্রেফতার হয় অন্তত দশ হাজার। এই আন্দোলনের ফলে সারাবিশ্বে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে জনমত তৈরি হয়। ১৯৮৮ সালে পিএলও পক্ষে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ঘোষণা দেন ইয়াসির আরাফাত। ১৯৯৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর পিএলও ও ইসরাইলের মধ্যে অসলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে পক্ষ দুটি পরস্পরের অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয়। এর ফলে পশ্চিম তীরের অধিকাংশ এলাকা এবং গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের শাসন কায়েম হয়। কিন্তু ইসরাইলী হামলা ও বর্বরতা থেমে নেই।
২০০০ সালে বিল ক্লিনটনের উদ্যোগে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হয় কিন্তু তা ব্যর্থ হয়ে যায়। ২০০১ থেকে গাজা অবরোধ করে রেখেছে ইসরাইল। ২০০৮ সালে ইসরাইল গাজা আক্রমণ করে। ২০১২ সালে আবার আক্রমণ করে। ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর আরাফাতের মৃত্যুর পর পিএলও ভেঙ্গে যায় এবং অকার্যকর হয়ে পড়ে পিএলও’র কার্যকলাপ। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর ‘এ প্লেস আন্ডার দ্য সান’ গ্রন্থে পুরো ফিলিস্তিন দখল করে ইসরাইল রাষ্ট্র সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তারই প্রমাণ আমরা পাচ্ছি বর্তমানে চলা ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে।
১৯৪৮ সালে ইহুদিবাদীদের হাতে ফিলিস্তিনের পতনের ফলে অধিকৃত ফিলিস্তিনের আরব জনগণের সংখ্যা এবং সমাজ কাঠামোয় ধ্বংসাত্মক পরিবর্তন সাধিত হয়। বিশ লাখ আরবের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ তাদের মাতৃভূমিতে থেকে যায়, এরা মূলত কৃষক। শহরগুলো ফাঁকা হয়ে যায় যুদ্ধের সময়েই না হয় তার অব্যবহিত পরে। এর ফলে আরবদের সামাজিক পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটে, কারণ শহরগুলো ছিল রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ভাবোচ্ছ্বাসের কেন্দ্র। ইহুদিবাদী দখলদাররা তাদের সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে নিপীড়নমূলক উপায়সমূহ আরোপ করতে শুরু করে, পরিবেশ তাদের জন্য অনুকূলে ছিল। তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আরব পরিচয়ের ছিটেফোঁটা চিহ্নকেও উপড়ে ফেলা এবং সেখানে নতুন প্রবণতার বীজ বপন করা যা অবশ্যই গড়ে উঠবে ইহুদিবাদী রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক জীবনের ছত্রচ্ছায়ায় এবং তার সঙ্গে সমন্বিত হয়ে। প্রায় চারশ’ বছর ধরে ফিলিস্তিন অঞ্চল ছিল বৃহত্তর সিরিয়ার অংশ হিসেবে তুর্কি ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীন। এখানকার অধিবাসীরা ছিল আরব। ওসমানীয় শাসকরা এখানে উপনিবেশ সৃষ্টি করেননি, বরং তাদের পক্ষে স্থানীয়রাই এখানকার প্রকৃত শাসক ছিল। একপর্যায়ে বিশেষত অর্থনৈতিক কারণে খুবই সীমিত পরিসরে ফিলিস্তিনে ইহুদি অভিবাসনের অনুমোদন করা হয়। এভাবে ১৯০৮ সালে ওসমানীয় সাম্রাজ্যের পতনের সময়, ফিলিস্তিনে ইহুদিদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার দশ শতাংশে উন্নীত হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ফিলিস্তিনিরা অন্য আরবদের মতো ব্রিটিশ সহায়তায় তুর্কিদের বিতাড়িত করে। কিন্তু ১৯১৮ সালে ব্রিটিশরা পুরো ফিলিস্তিন দখল করে নেয়। দখলদারিত্ব কায়েম রাখতে ব্রিটিশরা ইহুদিদের সঙ্গে সমঝোতা করে এবং ব্যাপক অভিবাসন ঘটাতে থাকে। ব্রিটিশরা ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য একটা আবাসভূমি তৈরি করে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেয় যা বেলফোর ঘোষণা নামে পরিচিত। আর সেই বেলফোর ঘোষণাই আজ বিষফোঁড়ার মতো গোটা আরব বিশ্বকে কলুষিত করছে। ব্রিটিশ শাসকদের প্রশ্রয়ে একের পর এক ইহুদি বসতি গড়ে উঠতে থাকে। শুরু হয় বসতি স্থাপনকারী ও আদিবাসী ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘাত। এই সময়ই সচেতন ফিলিস্তিনিরা অনুধাবন করেন যে, বিপদ আসন্ন। শুরু হয় ব্রিটিশ উপনিবেশের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা সংগ্রাম্ একই সঙ্গে তাদের মোকাবিলা করতে হয় ইহুদি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোকেও।
গাজার অবস্থান এমন যে, সেখানে গেরিলা যুদ্ধ করার কোন পরিস্থিতি নেই। হামাসের কাছে নেই কোন আধুনিক অস্ত্র বা কোন প্রশিক্ষিত যোদ্ধা অথচ জন্ম থেকেই তারা দেখে আসছে কারণে অকারণে ইসরাইল বর্বরতা যার হাত থেকে জীবন বাঁচাতো ও তাদের রসদ খাবার দাবার রাখার জন্য সে সুড়ঙ্গ তৈরি করেছে তারই অজুহাতে গোটা গাজা এলাকায় ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলী বিমান, স্থল ও নৌ-সেনারা। এ পর্যন্ত দুই হাজারেরও বেশি নিরীহ জনগণকে হত্যা করেছে, আহত ও পঙ্গু করেছে কয়েক হাজার গাজাবাসীকে। নিষ্পাপ চার শতাধিক শিশুকে প্রাণ হারাতে হয়েছে ইসরাইলি বর্বরদের কাছে। আর গোটা বিশ্ব চুপ করে বসে আছে। যারা রাস্তায় নেমে এসছে তাদের মূলত কিছু করার নেই। তারা সাধারণ মানুষ, শুধু প্ল্যাকার্ড আর ব্যানার হাতে তারা তাদের কথা বলছে কিন্তু কে শুনবে তাদের কথা?
পশ্চিমা বিশ্ব চুপ করে থাকবে, এতে অবাক হওয়ার তেমন কিছু নেই কিন্তু আরব বিশ্বের দেশগুলো কেন চুপ করে আছে? ইসলাম ধর্ম তাদের কি শিক্ষা দিয়েছে? তাদের ভাইবোন, শিশুরা মারা যাবে আর তারা টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করবে না, এ কেমন ধর্ম তারা পালন করছে? এ কেমন নিষ্ঠুরতা, এ কেমন বর্বরতা? আরব দেশগুলো একত্রে প্রতিবাদ জানাতে পারলে তো ইসরাইল আর সাহস পায় না এ নিষ্ঠুরতা দেখাতে। তারা তো আরব দেশগুলোর মধ্যে বিবাদ ও বিচ্ছেদ আছে জেনেই এই কাজ করছে। প্রশ্ন হচ্ছে আরব দেশগুলো কি পাবে এর বিনিময়ে?
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন,“এটি খুবই দুঃখের বিষয়, আমার এবং অনেক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নেতার বারংবার আহবান সত্ত্বেও বিপজ্জনক সংঘাতটি এখন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইসরাইলকে আরও বেশি কিছু করার আহবান জানান তিনি। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে সংঘাতে যাতে বেসামরিক নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহবান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেন পিসাকি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। স্থল অভিযান শুরুর পর নেতানিয়াহুর সংগে টেলিফোনে কথা বলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। এ সময় তিনি গাজায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সীমিত রাখতে এবং অভিযানটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমুখী হওয়ার বিষয় নিশ্চিত করার আহবান জানান।” অর্থাত্ অভিযানটি যাতে হামাসের ওপর হয়। কিন্তু হামাসের সদস্য কারা? নির্যাতিত, নিপীড়িত গাজাবাসীইতো যারা নিজ ভূমে পরবাসী। কোথায় বিশ্ববিবেক? কোথায় সভ্যতা? কোথায় মানবতা?
যুদ্ধবিরতি ইস্যু নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সফরে জন কেরি। মুন ও কেরির যুদ্ধবিরতির আহবান উপেক্ষা করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান নাভি পিল্লাই মানবাধিকার কাউন্সিলের জরুরি বৈঠকে গাজায় ইসরাইলি সেনাবহিনীর হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে এমন সতর্ক করার কয়েক ঘন্ট পর জেনেভায় এই ভোট গ্রহণ করা হয়। ফিলিস্তিনের আহবানে একটি খসড়া প্রস্তাবের আওতায় কাউন্সিলের ৪৭ সদস্য এই ভোটে অংশ নেন। ভোটাভুটিতে পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় ছিল জাতিসংঘ ২৯টি দেশ স্বাধীন তদন্তের পক্ষে ভোট দিয়েছে, ১৭টি দেশ ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিল, যার বেশিরভাগই ইউরোপীয় ইউনিয়নের। ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে স্বাধীন তদন্তের সিদ্ধান্তকে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছে। কারণ তারা জানে জাতিসংঘের কিছুই করার নেই শুধুমাত্র অনুরোধ করা আর বেশি হলে নিন্দা জ্ঞাপন করা ছাড়া।
জাতিসংঘের আশ্রয়শিবির হিসেবে ব্যবহূত জাতিসংঘের স্কুলগুলোতে ঠাঁই নিয়েছে এক লাখ ১৮ হাজারের বেশি মানুষ। পানি নেই, বিদ্যুত্ নেই, খাবার নেই, জীবনের এতটুকু নিরাপত্তা নেই। হাসপাতালে চিকিত্সার সরঞ্জাম নেই, ওষুধ নেই। শিশুরা আর্তনাদ করে বলছে আমাদের বাঁচতে দাও, বিশ্ববাসী কেউ শুনছে না তাদের করুণ আর্তনাদ। জানি না স্রষ্টা কবে শুনবেন এবং এই নিষ্ঠুর বর্বরদের শায়েস্তা করবেন। গোটা ফিলিস্তিন জুড়ে কেন এই বর্বরতা? একটু পেছনে ফিরে তাকাই।
মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক আলোচনাকারী অ্যারন ডেভিড মিলার বলেন, আরব রাষ্ট্রগুলোতে রাজনীতিকদের মধ্যে ইসলাম ভীতি এত বেশি জোরালো হয়ে উঠেছে যে, নেতানিয়াহুর বর্বরতা তাদের কোনরূপ ভাবিয়ে তুলছে না। এরকম পরিস্থিতি আগে কখনও দেখিনি। এতগুলো আরবদেশ গাজার হত্যালীলা ও ধ্বংসযজ্ঞকে এবং হামাসের ওপর আঘাতকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করছে। তাদের নীরবতা চোখে পড়ার মতো। আমাদেরও খুবই অবাক লাগছে কি হচ্ছে আরব দেশগুলোতে। গাজার জাতিসংঘের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধান ট্রন্ড হাসবি বলেন, ‘গাজায় যা হচ্ছে তা মারাত্মক মানবিক বিপর্যয়। আমি সোমালিয়ায় দুই বছর কাজ করেছি। সিয়েরা লিওনে পাঁচ বছর, দক্ষিণ সুদানে ও উগান্ডায় ছিলাম। তবে এই মাত্রার ধ্বংসযজ্ঞ আর কোথাও দেখিনি।’ অবাক যে দেখছে আমার আরব বিশ্বের ভাইয়েরা। তারা ঘুমিয়ে আছে। কতদিনে তারা এভাবে ঘুমাতে পারবে? খ্যাতনামা মার্কিন ইহুদি চিন্তাবিদ ও ভাষাতাত্ত্বিক নোয়াম চমস্কি গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত হামলাকে বড় ধরনের যুদ্ধাপরাধ অভিহিত করে তেল আবিবের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়েছেন। তিনি ইসরাইলকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকারের চেয়েও নিকৃষ্ট ধরনের বলে মন্তব্য করেছেন। ইসরাইলের বর্বরতা হিটলারকে ছাড়িয়ে গেছে, অবাক হচ্ছি কারণ বিশ্বনেতারা এখনও নীরব । কবে ভাঙ্গবে তাদের এই নীরবতা?
লেখক :আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক
