কখনোই সেভাবে তারকা হয়ে উঠতে পারেনি। অর্জুনা রানাতুঙ্গা, সনথ জয়াসুরিয়া, অরবিন্দ ডি সিলভা, চামিন্দা ভাস বা মুত্তিয়া মুরলিধরনের মতো তারকা সতীর্থদের ছাপিয়ে বড় নাম হয়ে উঠতে পারেননি। কিন্তু ৮৬ ওয়ানডেতে ৮৪৪ রান ও ৭৩ উইকেট এবং ১১ টেস্টে ২৯৪ রান ও ১২ উইকেটের ক্যারিয়ারটা একেবারে অনুল্লেখযোগ্য নয়।
বাংলাদেশের জন্য তিনি আরও একটু উল্লেখযোগ্য। ঢাকার ক্রিকেটে টানা কয়ে মৌসুম ধরে নিয়মিত পারফরমার ছিলেন এই রুয়ান কালপাগে। এবার বাংলাদেশ দলেই একেবারে ভিন্ন ভূমিকায় যোগ দিতে ঢাকায় পা রাখলেন সেই কালপাগে। বাংলাদেশ দলের নতুন সহকারী কোচ হিসেবে যোগ দিতে গতকালই ঢাকায় পৌঁছেছেন এই অফস্পিনিং অলরাউন্ডার।
বাংলাদেশ দলে যোগ দিতেই কালপাগে ও তার আরেক সতীর্থ উইজাতুঙ্গে পিয়াল যথাক্রমে শ্রীলঙ্কার সহকারী কোচ ও জাতীয় দলের স্পিন কোচের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন।
মুরলিধরন ও কালপাগের ঘনিষ্ঠ সতীর্থ পিয়ালকে মূলত এসএলসি আটকেছে তাদের তরুণ ক্রিকেটারদের কথা ভেবে। সাবেক এই বাঁহাতি স্পিনারকে বর্তমান লঙ্কান স্পিনারদের মেন্টর মনে করা হয়। বিশেষ করে বোলিং অ্যাকশনের কারণে সাময়িক নিষিদ্ধ সচিত্র সেনানায়েকের অ্যাকশন শুধরানোর কাজ করতে থাকা পিয়ালকে এই কাজ শেষ করার আগে অন্তত কিছুতেই হারাতে রাজী নয় এসএলসি।
