ছোটপর্দার গুণী অভিনেত্রী সোহানা সাবা। চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ারে স্বামী নির্মাতা মুরাদ পারভেজের হাত ধরেই কিছুটা পথ পেরোনো হলেও সেই অর্থে এ যাত্রায় তার সাফল্য নেই। সম্প্রতি আবারও মুরাদ পারভেজের নির্মাণে নতুন চলচ্চিত্র ‘বৃহন্নলা’য় কাজ করছেন তিনি। কথা বলেছেন আপকামিং চলচ্চিত্র ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
ঈদের ব্যস্ততার রেশ কেমন ছিল?
ঈদে বেশ ব্যস্ত ছিলাম। ঈদের দুই দিন আগে পর্যন্ত শুটিং করতে হয়েছে। ‘বৃহন্নলা’ নিয়ে যেহেতু ব্যস্ত থাকতে হবে তাই কোরবানি ঈদের নাটকগুলোও এবার শেষ করতে হয়েছে। কিন্তু কোন চ্যানেলে কোন নাটকটি গিয়েছে তা জানতে পারিনি। আগে পরিচালকরা ফোন করে জানাতেন। এখন তারাও জানান না।
‘বৃহন্নলা’ ছবি সম্পর্কে কিছু বলুন?
‘বৃহন্নলা’র গল্পটি আমাদের মূল আকর্ষণ। এখনই এই নিয়ে খোলাসা কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে যেটুকু বলা যায়, একটি গ্রামকে ঘিরে ও গ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ছবির গল্প এগিয়ে চলে। যেখানে রাজনৈতিক ইস্যুর আমি একটি অংশ। ছবিটি নিয়ে আমি অনেক আশাবাদি। এখন শুধু ছবিটির মুক্তি ও দর্শকদের সাড়া পাওয়ার অপেক্ষা।
ঘরে মুরাদ পারভেজ ও শুটিং সেটে মুরাদ পারভেজ কিভাবে বিশ্লেষণ করবেন?
খুব একটা পার্থক্য মনে হয় না। আমার দুটি ছবি করার পর মুরাদের সাথে প্রেম তারপর বিয়ে-সংসার। তবে ও কাজ করতে গেলে আমাকে নিয়ে বেশি অধৈর্য হয়ে যায়। মুরাদ যেমন অল্পতে অধৈর্য হয়ে যায় আমিও তেমনি অল্পতে রিঅ্যাক্ট করে ফেলি। তবে পরিচালক হিসেবে মুরাদ তার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে থাকে।
‘আয়না’ ছবির পর ‘বৃহন্নলা’ দিয়ে ফেরদৌসের সাথে আবারও অভিনয় করলেন, এতটা বিরতি কাজে প্রভাব পড়েনি?
না, কাজে কোনো প্রভাব পড়েনি। ‘আয়না’ ছবির পর দীর্ঘদিন কাজে বিরতি ছিল কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে ফেরদৌস ভাইয়ের সাথে যোগযোগ হতো। নিয়মিত যোগাযোগের কারণে এতদিনের যে বিরতি সেটা ঠিক উপলব্ধি করতে পারিনি। ফেরদৌস ভাই আমার অনেক সিনিয়র সে ক্ষেত্রে কাজের ব্যাপারে অনেক কিছুই শেখার আছে তার কাছে। তিনি খুবই হেল্পফুল।
‘বৃহন্নলা’ ছবির পোশাক ডিজাইনার হিসেবেও তো কাজ করেছেন আপনি...
আমি ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের ছাত্রী সেই সূত্রে কস্টিউম ডিজাইনের আগ্রহটা আমার আগে থেকেই। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমার নিজের ডিজাইন করা পোশাক পরেই যাই। নিজের ডিজাইন করা পোশাক পরতে বেশ সাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এর আগে ‘চন্দ্রগ্রহণ’ ছবির কস্টিউম ডিজাইন করেছিলাম।
