আবারও আজমলের অ্যাকশনে আপত্তি!

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৪, ২১:৪৯
প্রথম ইনিংসে প্রথম উইকেট পাওয়ার জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৪৬.২ ওভার। গোটা ক্যারিয়ারে এতোটা ‘অকার্যকর’ তাকে আগে কখনও দেখা যায়নি। শেষটায় অবশ্য পুষিয়ে দিয়েছিলেন। পাঁচ উইকেট নিয়ে লোয়ার মিডল অর্ডারটাকে বিপজ্জনক হতে দেননি সাঈদ আজমল। তবে, তাতে দলের যে খুব উপকার হয়নি সেটা ম্যাচের ফলাফলেই স্পষ্ট। গল টেস্টে সাত উইকেটের বড় জয় নিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা। সেই হারের সাথে এবার আরেকটা দুঃসংবাদে হতবাক পাকিস্তান শিবির। সিরিজের প্রথম টেস্টে অফস্পিনার সাঈদ আজমলের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। এর ফলে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ২১ দিনের মধ্যে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করাতে হবে আজমলকে। যদিও, পরীক্ষার ফল না পাওয়া পর্যন্ত ম্যাচে বল করতে সাঈদ আজমলকে কোন প্রকার বাধার সম্মুখীন হতে হবে না। ফলে আগামী বৃহস্পতিবার কলম্বোতে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে পারবেন এই তারকা। আজমলের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০০৯ সালের এপ্রিলে তার দোসরা ডেলিভারি নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন আম্পায়াররা। পরের মাসেই অবশ্য পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়, তার অ্যাকশন ঠিকই আছে। এর পর গত মে মাসে, টুইটারে আজমলের অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন ইংলিশ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড। আইসিসি জানায়, ম্যাচ অফিসিয়ালরা আজমলের বেশ কয়েকটি ডেলিভারি নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেন। তাদের মতে, স্পিনারের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি পাকিস্তানের ম্যানেজার ও সাবেক অধিনায়ক মঈন খানের কাছে দেয়া হয়েছে। আজমলের অ্যাকশনে ম্যাচ অফিসিয়ালরা আপত্তি জানানোয় কিছুটা বিস্ময়ই প্রকাশ করেছেন মঈন খান। তবে, পরীক্ষার পর তার অ্যাকশন শুদ্ধ বলে প্রমাণিত হবে বলেই বিশ্বাস করেন তিনি, ‘আইসিসির পক্ষ থেকে আমাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে । সত্যি কথা বলতে বিষয়টিতে আমরা খানিকটা অবাকই হয়েছি। তবে, আমরা আইসিসির নিয়মের বাইরে কিছু করতে পারবো না। আমার মনে হয়, পরীক্ষায় উের যাওয়া আজমলের জন্য বড় কোন ব্যাপার হবে না। এর মধ্যে আমাদের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে হবে। এটা নিয়ে তাই ভাববার তেমন একটা সময় নেই। ও আমাদের সেরা বোলার। সব সময়ই আমরা ওর পাশে থাকবো।’