দীর্ঘদিনের উপস্থাপনার ক্যারিয়ারে গত কয়েকবছর ‘আনন্দমেলা’ উপস্থাপনা করছেন মাঝে মাঝে। তবে এবারে পুরোপুরি তারুণ্যনির্ভর ‘আনন্দমেলা’ নির্মাণের চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতার কথাই বলেছেন তিনি বিনোদন প্রতিদিনের কাছে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
‘আনন্দমেলা’ নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া কেমন পেলেন?
বিনোদনধর্মী অনুষ্ঠান দর্শকদের উপহার দিতে চেষ্টা করেছি। দর্শক সাড়া ভালোই পেয়েছি। অনেকেই বলেছেন এবার ‘আনন্দমেলা’ প্রাণ খুঁজে পেয়েছে। ‘আনন্দমেলা’ অনেক পুরোনো একটি অনুষ্ঠান। অনেকদিন ধরেই এর উন্নতি খুব একটা ছিল না। কিন্তু এবার সেই জায়গাটা অনেকটাই মুছে গেছে। পরিকল্পিত একটা কাজ ছিল। সেটা যারা দেখেছেন তারা ভালোই বলতে পারবেন। বেশ কিছু চমক ছিল এবার।
এবার অনুষ্ঠানে আকর্ষণীয় বিষয়গুলো কী ছিল?
পুরো অনুষ্ঠানটি দিয়ে দর্শককে আকৃষ্ট করার কোনো কমতি ছিল না। নৃত্য পরিবেশন করেছেন নাদিয়া, লিখন ও ৩০ জন শিল্পী। এছাড়া ছিল বেশকিছু নাটিকা। হিন্দি সিরিয়ালগুলো নিয়ে একটি মজার অংশ ছিল। বাদ্যযন্ত্র নিয়ে একটি অংশ ছিল। এছাড়া ছিল চন্দন সিনহার গানটি। সবকিছু মিলিয়ে দর্শকদের চাহিদা পূরণের কমতি ছিল না। চন্দন সিনহাকে দর্শকরা খুব বেশি পায় না। মাঝে মাঝেই তিনি গান করেন। কিন্তু যেসব গান করেন শ্রোতাদের কানে বিঁধে থাকার মতো গান। চন্দন সিনহার গানটিও একটি চমক ছিল।
তারুণ্যনির্ভর এই অনুষ্ঠানে তরুণদের সহযোগিতা কেমন পেয়েছেন?
তরুণরা তো এখন সবচেয়ে ব্যস্ত। অনেকেই অনেক কাজে ব্যস্ত থাকে। তবে তাদের সহযোগিতা যথেষ্ট ছিল। যে কয়জনকে নিয়ে কাজ করেছি, সবার কাছ থেকেই আমি যথেষ্ট সহযোগিতা ও সাড়া পেয়েছি।
অনেকে ‘আনন্দমেলা’ কোন চ্যানেলে প্রচারিত হয় এ ব্যাপারেই জানে না, এর কারণ কী?
এর মূল কারণ কর্তৃপক্ষের মনোযোগের অভাব। অনুষ্ঠানটি নিয়ে তাদের প্রচারণার অভাব। অনুষ্ঠানটি প্রচারের সময় সাড়ে দশটা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত। এর মধ্যে প্রথম এক ঘণ্টায় সাতাশ মিনিট বিজ্ঞাপন থাকে। বিজ্ঞাপনের জ্বালায় দর্শক আর দেখতে পারে না। তাই এর পরেরবার এই অনুষ্ঠানের খোঁজ অনেকেই রাখেন না। এবার আনন্দ মেলায় অভিনয় করা একজন আমাকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করেন কোন চ্যানেলে প্রচারিত হবে। তাই কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে সজাগ থাকা উচিত।
