উপজেলার পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলা ও দফতরে অনুপস্থিতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছেন জেলা প্রশাসক।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের গত ২৬ জুন এক পত্রাদেশের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক ওই সুপারিশ করেন।
জানা গেছে, পৌর মেয়র নূরুন্নবী প্রামাণিক কয়েকটি মামলায় আসামি হয়ে গত বছরের ২১ নভেম্বর থেকে আত্মগোপনে আছেন। ফলে বিভিন্ন প্রকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে বিঘ্নের সৃষ্টিসহ পৌর নাগরিকগণ সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হতে থাকলে ১০ জন কাউন্সিলর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গত ১৭ জুলাই ইউএনও আবু রাফা মোহাম্মদ আরিফ ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন তদন্ত করেন। তদন্তে মেয়রের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ অপচয়সহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য খুঁজে পান। এছাড়া মেয়র দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে থাকায় পৌর সভার সমস্ত কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্যানেল মেয়র লুত্ফর রহমান মুক্তাকে পৌরসভার সমুদয় দায়িত্ব প্রদানের সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনের সাথে একমত পোষণ করে জেলা প্রশাসক পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ বরাবর সুপারিশপত্র প্রেরণ করেন।
