অশুভ শক্তি নির্মূলে এগিয়ে আসুন

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৪, ২১:৪১
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি কোন রাজনৈতিক দল নয়, এটা হলো চরম অশুভ শক্তি। সমাজের দুষ্কৃতকারীদের প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে বিএনপি। তাদের সঙ্গে আলোচনা বা সমঝোতা হতে পারে না। এদের রুখে দিতে হবে। তিনি বলেন, জাতীয় শোক দিবসে কেক কেটে ফুর্তি করে মিথ্যা জন্মদিন পালনকারী অশুভ শক্তিকে বাংলার মাটি থেকে চিরদিনের জন্য নির্মূল করতে হবে। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগকে সহায়তা করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। মঙ্গলবার বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে অস্থায়ী মঞ্চে শোক শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুবলীগ এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে। সমাবেশ শেষে হাজার হাজার যুবকের বিশাল এ শোভাযাত্রা ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালন করে জাতিকে বিভক্ত না করতে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারকে হত্যা করে জাতিকে বিভক্ত করা হয়। দয়া করে ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করে আর জাতিকে বিভক্ত করবেন না। খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, কিসের জন্য আপনি এ জন্মদিন পালন করেন? এটা কনটেম্প? এটা তার (খালেদার) বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরুদ্ধে চরম ঘৃণার প্রকাশ। যারা বাংলাদেশ সৃষ্টিতে বিশ্বাস করে না তারাই জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিনের নামে কেক কেটে ফুর্তি করে। সৈয়দ আশরাফ বলেন, খালেদা জিয়ার যদি সত্যিকার অর্থে ১৫ আগস্ট জন্মদিন হতো তাহলেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ওই দিন জন্মদিন পালন থেকে বিরত থাকা উচিত ছিল। ১৪ আগস্ট অথবা ১৬ আগস্ট জন্মদিন পালন করতে পারতেন। তাছাড়া তার জন্মদিন তো ১৫ আগস্ট না। এক্ষেত্রে সৈয়দ আশরাফ একটি উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, বিলাতের রাণীর জন্মদিন হলো ডিসেম্বর মাসে। কিন্তু ডিসেম্বরে প্রচণ্ড শীত থাকায় প্রজাদের অসুবিধার কথা চিন্ত করে তিনি জুলাই মাসে জন্মদিন পালন করেন। যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, উত্তরের সভাপতি মাঈনুল হোসেন খান নিখিলসহ যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে ইনিঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে থেকে যুবলীগের শোক শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ। এর আগে শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজধানীর প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড থেকে যুবলীগের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হন।