মানসিক চাপ বা অবসাদ নিয়ে অনেক সময় ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। ডাক্তার সাহেব মানসিক চাপ কমানোর ওষুধ দেন। অনেক ক্ষেত্রে ওষুধেও কাজ হয় না। তখন ওষুধের মাত্রা বাড়ানো হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞগণ গবেষণায় কোন ওষুধ ছাড়া অবসাদ কমানোর জন্য ১৫টি পরামর্শ দিয়েছেন। বিদেশি হেলথ জার্নাল অবলম্বনে ওষুধ ছাড়া অবসাদ কমানোর পরামর্শসমূহ তুলে ধরা হলো:
১. একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে অন্তত সপ্তাহে ১ দিন কম হলেও ১ ঘন্টা করে সময় কাটান এবং দুজন দুজনের সব কথা মন খুলে বলুন। ২. প্রতিদিন আপনার পোষা কুকুরের সঙ্গে (যদি থাকে) খানিকটা সময় খেলাধুলা করুন। ৩. সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন কোন থেরাপিস্টের সহযোগিতা নিন। ৪. প্রতি সকালে কফি অথবা চা পান করুন। ৫. প্রতিদিন মুড-বুস্টিং ফুড যেমন: বাদাম, কলা, চেরি, আনারস, টমেটো, পেঁপে খান। প্রোটিনের মধ্যে চিকেন, চিজ, ডিম ও শিম জাতীয় খাবার খান। ৬. ওমেগা-৩ ফ্যাট আছে এমন খাবার খান। যেমন: ফিস অয়েল। ৭. চিকিত্সকের পরামর্শে ভিটামিন অথবা ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল ও সবজি আহার করুন। ৮. প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় পিঠ লাগিয়ে শুইয়ে থাকুন এবং মাথাটা দু’হাত দিয়ে খানিকটা উঁচুতে রাখুন। এসময় ১০ বার গভীর শ্বাস নিন (ডিপ ব্রেথ)। ৯. প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়ান এবং হাসতে চেষ্টা করুন। ১০. মাসে অন্তত একরাত সম্পূর্ণ জেগে থাকুন। এতে অবসাদ কেন কমে এর ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। ধারণা করা হয় একরাত জেগে থাকলে ঘুমের সমস্যা কাটতে সহায়ক হয়। এতে অবসাদ কমে। ১১. শয়নকক্ষ পরিবর্তন করে পাশের ঘরে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ১২. যে কোন সমস্যাকে সহজভাবে নিন এবং সব কিছুকে স্বাভাবিক ভাবতে চেষ্টা করুন। ১৩. মাঝে-মধ্যে দৈনন্দিন রুটিন কাজ থেকে দূরে থাকুন এবং হালকা কিছু করুন। ১৪. দিনে ৩ বার ১০ মিনিট করে হাঁটুন। বাইরে সম্ভব না হলে ঘর বা কর্মক্ষেত্রেও হাঁটতে পারেন। ১৫. সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ব্যায়াম, ইয়োগা অথবা সুইমিং করুন।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
