গাজার শিশুদের উত্সর্গ করে ‘হিরোশিমা দিবস’

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০১৪, ২০:২০
‘আর নয় হিরোশিমা, আর নয় নাগাসাকি, নয় কোনো গাজা’—এ স্লোগান নিয়ে গাজায় হতাহত শিশুদের উত্সর্গ করে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর যৌথ আয়োজনে গত ৬ আগস্ট বুধবার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে ‘ত্রিংশ শতাব্দী’-র বিশেষ মঞ্চায়ন এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতায় ‘হিরোশিমা দিবস-২০১৪’ পালন করা হবে। বাদল সরকারের মূলরচনা অবলম্বনে হিরোশিমা-নাগাসাকির বিয়োগান্তক ঘটনা-নির্ভর স্বপ্নদলের আলোচিত ও দর্শকনন্দিত প্রযোজনা ‘ত্রিংশ শতাব্দী’-র রূপান্তরসহ নির্দেশনা দিয়েছেন জাহিদ রিপন। হিরোশিমা-নাগাসাকির অনভিপ্রেত ঘটনার ৬৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘হিরোশিমা দিবস-২০১৪’-এর অনুষ্ঠানমালায় রয়েছে বিকাল ৫টা থেকে এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলের লবিতে হিরোশিমা-নাগাসাকি-গাজা ভিত্তিক যুদ্ধবিরোধী পোস্টার-আলোকচিত্র-চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। সন্ধ্যা ৭টায় হলে যুদ্ধ থেকে শিশুদের মুক্তি প্রার্থনায় যুদ্ধযন্ত্রণার প্রতীক জাপানি শিশু সাদাকো সাসাকি ও গাজার শিশুদের স্মরণে কাগজের সারস বিতরণ এবং সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরোধী আলোচনা। শিল্পকলা একাডেমীর সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সম্মিলিত সাস্কৃতিক জেটের সহ-সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বিশেষ অতিথি থাকবেন জাপান ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশন বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. খোরশেদ আলম, জাপান দূতাবাসের গণসংযোগ ও সাংস্কৃতিক বিভাগের প্রধান রিওজি সুগে, নাট্যজন মাসুম রেজা, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামান, জাপান-বাংলা পিস ফাউন্ডেশনের সভাপতি হুমায়ুন কবীর প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেবেন স্বপ্নদলের প্রধান সম্পাদক জাহিদ রিপন। এরপর থাকবে ‘ত্রিংশ শতাব্দী’ প্রযোজনার ৬৫তম মঞ্চায়ন। এ দিন নাট্যপ্রদর্শনীসহ সকল আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। স্বপ্নদল ২০০২ থেকে গত ১৩ বছর যাবত্ নিয়মিতভাবে শান্তির স্বপক্ষে উদ্বুদ্ধকরণ ও যুদ্ধবিরোধী প্রচারণাসহ ‘হিরোশিমা দিবস’ পালন করে আসছে। ২০১১ থেকে এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী। পাশাপাশি দিবসটি পালনে সহযোগিতা করছে জাপান-বাংলা পিস ফাউন্ডেশন ও জাপান দূতাবাস। যুদ্ধোন্মাদনার বিরুদ্ধে শৈল্পিক প্রতিবাদ ‘ত্রিংশ শতাব্দী’-র মূলকাহিনী পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে জাপানের হিরোশিমা-নাগাসাকির আণবিক বোমা বিস্ফোরণের বিষাদময় পরিণতি।