হামিদ ফেব্রিক্সের আইপিও অনুমোদন
অ্যাক্টিভ ফাইনের ১২০ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন
আগামী সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন ব্রোকারেহ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহের পাইলট প্রজেক্ট শুরু হচ্ছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী এরই মধ্যে যেসব ব্রোকার হাউজ ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট বা ডিপি প্রস্তুতি করেছে তাদেরকে নিয়েই শুরু হবে এ পদ্ধতি। পরবর্তীতে সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৫২৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া সভায় হামিদ ফেব্রিক্সের আইপিও ও অ্যাক্টিভ ফাইনকে ১২০ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়।
বিএসইসির তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে যে কোম্পানি চাঁদা গ্রহণ করবে তার মাধ্যমে পাইলপ প্রজেক্ট শুরু হবে। নতুন এ পদ্ধতিতে অংশ নিবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৬৬টি, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ৩৬টি ট্র্যাকহোল্ডার প্রতিষ্ঠান ও ১৬টি মার্চেন্ট ব্যাংক। নতুন পদ্ধতি চালুর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জ, স্টক ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংককে তাদের গ্রাহকদেরকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বলেছে বিএসইসি।
বিএসইসি হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড নামের একটি কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে। কোম্পানিটি ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১০৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্যে শেয়ার ছাড়বে কোম্পানিটি। ৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৪১ দশমিক ১৪ টাকা। সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ঋণ পরিশোধ, ব্যবসা সমপ্রসারণ ও আইপিও খরচ বাবদ ব্যয় করবে।
পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত অ্যাক্টিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেডের মূলধন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বিএসইসি। কোম্পানিটি ২ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পারবে। কোম্পানিটি ১০ টাকা ফেসভ্যালুর সাথে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৬০ টাকা মূল্যে প্রতিটি শেয়ার ইস্যু করবে। কোম্পানির বর্তমান শেয়ারহোল্ডার ছাড়া ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার ইস্যু করা যাবে। এ শেয়ার ৩ বছরের মধ্যে লেনদেন করা যাবে না।
আইপিও সংক্রান্ত কমিশনে দাখিলকৃত ভেন্ডর চুক্তিতে অসত্য তথ্য দেয়ায় ড্রাগন সুয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা এবং ইস্যু ম্যানেজার ফার্স্ট সিকিউরিটিজ সার্ভিস লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসইসি। জেড ক্যাটাগরির শেয়ারে ঋণ প্রদান এবং ৫ লাখ টাকার বেশি অর্থ নগদে লেনদেনসহ কয়েকভাবে সিকিউরিটিজ আইন লংঘন করায় মডার্ন সিকিউরিটিজকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ফিনভেস্ট সার্ভিস লিমিটেডকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
