গৌরীপুর জংশনে ২৮টি ট্রেনে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী উঠা-নামা করে। সেখানে যাত্রীদের বসার ঠাঁই ও নিরাপত্তা নেই।
স্টেশন মাস্টার তাহির উদ্দিন জানান, টিসি ৬জনের স্থলে ১জন কর্মরত, পয়েন্টসম্যান ৯জনের স্থলে ৪জন কর্মরত, বুকিং সহকারী ১জনের পদ শূন্য, ১জন পোর্টার, মালবাবু, ২জন টিআরসি, সুইপার ২জন, ক্যাবিন মাস্টার ১জন, জমাদার ৩জনের পদ খালি। কোনো সুইপার না থাকায় মাত্র ১৫শ’ টাকায় কাজ করেন আব্দুল জলিল। ৩৫ বছর পূর্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে অফিসিয়াল আর হাজারো যাত্রীর উঠা-নামা। শত বছরের পুরনো রেলওয়ে জংশনের ভবনটি ১৯৮০ সনে রেলওয়ে প্রকৌশল অধিদপ্তর ব্যবহার অনুপযোগী ও ঝূঁকিপূর্ণ হিসাবে রিপোর্ট প্রদান করে। তবু চলছে এই ভবনেই কাজ। এ রেলপথে ৯০-৯৫ ভাগ যাত্রীই টিকেট করে চলাচল করছে বলে বুকিং অফিস স্বীকার করেন। গৌরীপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন প্রান্তের বুকিং করা মালামাল প্লাটফরমে যত্রতত্র পড়ে আছে। এগুলো বৃষ্টিতে ভিজে আর রোদে শুকাচ্ছে। মাল সংরক্ষণের গুদামটি ব্যবহার অনুপযোগী। প্রায়শ হচ্ছে চুরি। মাল রক্ষা করতে গিয়ে সম্প্রতি এক লেবার ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হন। ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম জানান, মালামাল বুকিং করতে ও পাঠাতে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বুকিং কাউন্টারে টিকেটের চেয়ে নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
