ঘুম পাড়ানি বনকা পিসি ঢ্যাপের মোয়া খেও
আমার বাড়ি টুঙ্গি পাড়া একটু বসে যেও।
শালুক দেব ইছন বিছন নেইকো শীতল পাটি,
দস্যুসেনা ঘর লুটেছে করছে খাখা গাঁটি।
ইকড়ি মিকড়ি চাম চিকড়ি কুতুর কুতুর ছা,
টুঙ্গিপাড়া শেখের বাড়ি উইড়া সেথায় যা।
সেই খানেতে রাখাল রাজার ছোট্ট কবরখানি,
সন্ধে-সকাল ঝরায় কেবল লক্ষ চোখের পানি।
আপিল চাপিল ঘন্টিমালা পদ্মাবতীর ভাই,
রাসেল মণির সোনার ঘুড়ির লাটাই-সুতো নাই।
লাটাই নিলো ডাকাত চিলে করলো আহা গুলি,
এক নিমিষে উধাও প্রাণ উড়লো মাথার খুলি।
উবুর ডুবুর পানকৌড়ি শেখ নেইকো ঘরে,
দস্যুসেনা ধান কাড়লো পদ্মা নদীর চরে।
ধান ফুরুলো পান ফুরুলো খাবার উপায় কী?
আর কটা দিন সবুর করে ঘন্টি বেঁধেছি।
এরোন গোটা ভেরোন গোটা কুনোব্যাঙের ছাতি,
সিংহাসনে টোপর পরে ছিদাম মেয়ার নাতি।
নাতির বাড়ি ডুগডুগানি আপনি মোড়ল তিনি—
পাইক-পেয়াদার পীরিত-টিরিত কম-বেশি তো চিনি।
[কবি সিকানদর আবু জাফর প্রতিষ্ঠিত মাসিক সমকালে ১৯৭৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।]
