গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর। আজ জাতীয় শোক দিবসে একাধিক অনুষ্ঠানে গাইবেন। এছাড়া সম্প্রতি ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন। কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে
১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কী কী কাজ করছেন?
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আমি বেশ কিছু কাজ করছি। আমার সংগঠন থেকে সকাল ৯টায় ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবো। তাঁর স্মরণে দুটি লাইভ সংগীতানুষ্ঠানে অংশ নেবো। সকালে চ্যানেল আইতে ‘গানে গানে’ শীর্ষক একটি লাইভ সংগীতানুষ্ঠানে আমি গাইব। এটি এই অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্ব। রাতে মোহনা টিভির ফোনোলাইভে অংশ নেবো। এটি লাইভ কনসার্ট। বিটিভিতে বঙ্গবন্ধুর স্মরণে আয়োজিত একটি বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানেও গাইব আমি। এছাড়া সন্ধ্যা ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির বড় হলে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবো।
সমপ্রতি ভারতে আপনি দুটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাই।
হ্যাঁ ভারতে আমি দুটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। এ মাসেরই ৩ তারিখে আসামের শিলচরে যার একটি পেয়েছি। অপরটি পেয়েছি ৫ তারিখে ত্রিপুরার আগরতলায়। ত্রিপুরার সংস্কৃতি সমন্বয় পরিষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। হিরালাল সেনের স্মরণে বিশেষ গণসংগীত সন্ধ্যায় আমাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। উপমহাদেশের জনপ্রিয় গণসংগীত শিল্পী হিসেবে আমি এই পুরস্কার অর্জন করি। দুটি অনুষ্ঠানেই আমার সাথে আমার স্ত্রী সুরাইয়া আলমগীর, আমার ভাই ফকির সিরাজ ও আমার নাতি ফকির ফারদিন ছিলেন। এরপর আমরা ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যাই।
বঙ্গবন্ধুর সাথে আপনার কোনো স্মৃতি...
অনেক স্মৃতি রয়েছে জাতির জনকের সাথে। রেসকোর্স ময়দানে ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। এছাড়াও স্বাধীনতা-উত্তর বিভিন্ন সময় আমি বঙ্গবন্ধুর বাড়ি গিয়ে ভাষণ শুনেছি। তিনি দোতালার বারান্দায় দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতেন। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে আমি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিই।
