আদালতের আদেশ অমান্য
চাল বাজারজাত করণের জন্য পাটের বস্তা ব্যবহারে আদালতের আদেশের প্রভাব পড়েনি সৈয়দপুর শহরে।
এখানকার চাল মিল মালিকসহ ব্যবসায়ীরা দাপটের সাথে পাটের বস্তার পরিবর্তে পলিথিন বস্তা ব্যবহার করছেন। নীলফামারী জেলা প্রশাসক মো. জাকির হোসেন বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ বা নির্দেশ অবশ্যই সকল ব্যবসায়ীকে মানতে হবে। যারা অমান্য করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, পরিবেশের জন্য পাটের তৈরি পণ্যের বিকল্প নেই। পাটের বস্তা ব্যবহারে উচ্চ আদালতের আদেশের পর তা ব্যবহার বন্ধ করার কোন সুযোগই নেই। কারণ উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়ারও বিধান রয়েছে।
সৈয়দপুরে আফজাল হোসেন নামের এক অটো রাইস মিলের মালিক বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর পরই সকল রাইস মিল মালিকের বৈঠক হয়েছে। এ বৈঠকে প্লাস্টিক বস্তার পরিবর্তে পাটের বস্তা ব্যবহারে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। তবে সম্পূর্ণ রূপে প্লাস্টিক বস্তা বর্জনে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জুট এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী বলেন, পরিবেশ বান্ধব পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করায় দেশে আবারও পাটের চাষাবাদ বৃদ্ধি পাবে।
