না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাংবাদিক ও জনপ্রিয় ছড়াকার ওবায়দুল গনি চন্দন (ইন্নালিল্লাহে... রাজেউন)। শনিবার সকালে কলাবাগানের এক বন্ধুর বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। তিনি স্ত্রী ও এক ছেলে রেখে গেছেন। স্ত্রী রুবিনা মোস্তফা এসএ টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক। চন্দনের পৈত্রিক বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইলে, তবে ছেলেবেলা থেকেই ঢাকায় থাকতেন তিনি।
স্ত্রী রুবিনা জানান, বেশ কিছু দিন ধরে চন্দন শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। একটু সুস্থ হয়ে ফিরে আসার কয়েকদিন পরই আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। চন্দন মানবকণ্ঠের ফিচার এডিটর ছিলেন। এর আগে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন, বাংলাভিশন ও বৈশাখী টেলিভিশনে কাজ করেন। রম্য সাময়িকী কার্টুন এবং কিশোর তারকালোকেও কাজ করতেন এই ছড়াকার।
তার প্রকাশিত ছড়ার বইয়ের সংখ্যা ২২। এর মধ্যে রয়েছে ‘কান নিয়েছে চিলে’, ‘আমার মানুষ গান করে’, ‘থাকছি ঢাকায় সবাই ফাইন, চারশ বছর চারশ লাইন’, ‘আঙুল ফুটে বটগাছ’, ‘লেবেন ডিশের লেবেনচুষ’, ‘ভ্যাবলা ছেলে ক্যাবলাকান্ত’, ‘সবুজ সবুজ মনটা অবুঝ’। ছড়ার জন্য ২০০০ সালে অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার পান ওবায়দুল গনি চন্দন।
ছড়ার পাশাপাশি তিনি ছোটগল্প, গান, নাটক ও বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেল লিখতেন। ৩০টির মতো টিভি নাটক লিখেছেন তিনি।
