ই ন্টা র ভি উ

এখন সবাই কাজের সাথে ব্যবসাকে এক করছে

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৪, ২১:১৪
প্রাণ রায়। একাধারে মঞ্চ ও টিভি তারকা। কিন্তু ‘রঙের মানুষ’-এর পর কোথায় যেন একই রকম চরিত্রে আটকে আছেন। সে কথাই বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনকে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু এখনকার ব্যস্ততা? রোজার ঈদের পরপরই ঠিক কোরবানি ঈদ চলে আসায় এক ঈদের রেশ না কাটতেই আরেক রেশ চলে আসে। ঈদে জামাল মল্লিকের পরিচালনায় ‘কচুরি ফুল’ নামের একক নাটকের কাজ করলাম। এছাড়া দুইটি ধারাবাহিক নাটকের কাজ শেষ করলাম। বাংলাভিশনে হিমেল আশরাফের ‘গপ্পো’ শিরোনামে আমার নতুন একটি ধারাবাহিক শুরু হয়েছে। হাতে আরও বেশকিছু কাজ আছে। দর্শকরা বড় পর্দায় আপনাকে আবার কবে দেখতে পাবে? খুব শীঘ্রই দেখতে পাবেন। কিছুদিনের মধ্যেই আমার অভিনীত নতুন ছবি ‘নদীজন’ মুক্তি পাবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন শাহনেওয়াজ কাকলী। এখানে আমি একজন মাঝির চরিত্রে অভিনয় করেছি। সামনে আরও একটি ছবির কাজ হাতে আছে। গল্প হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এখনও কিছু ফাইনাল বলতে পারছি না। বিজ্ঞাপনের হঠাত্ করেই অনপুস্থিত, কেন? বিজ্ঞাপন একটি সেন্সেটিভ জায়গা। যা মানুষের খুব দ্রুত ক্যাচ করে। সেখানে একটি ভালো কাজ যেমন সহজেই প্রশংসিত হয়, তেমনি খারাপ কাজও দ্রুতই সামালোচনায় চলে আসে। তাই ভালো স্ক্রিপ্ট না পেলে কাজ করি না। ‘রঙের মানুষ’ নাটকের এত সাফল্যে পর সেরকম কোনো গল্পে আপনাকে দেখা যায়নি, কারণ কী? সেরকম গল্প কী এখন কেউ লিখছে! এখন সবাই কাজের সাথে ব্যবসাকে এক করে ফেলছে। আমরা এখন কাজ করি দিনে কত পেমেন্ট পাবো, প্রযোজকের চিন্তা কত কম টাকায় কাজ করিয়ে চ্যানেলে বিক্রি করা যায়। এখন আর আমাদের মাঝে ‘শিল্প’ ব্যাপারটা কাজ করে না। যখন ‘রঙের মানুষ’ করি তখন আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল দর্শকের মুখে যেন এই নাটকের নাম থাকে। কিন্তু এখনকার কয়টা নাটকের নাম মানুষ জানে! সবার মুখেই এই হতাশার বাক্য, এর উত্তরণের কোন পথ কি নেই? উত্তরণের পথ তো আছেই। কিন্তু সেই উত্তরণের পথে কয়জন হাঁটছে। ঐ যে বললাম সবার এখন ব্যবসায়িক চিন্তা। চ্যানেলগুলো এখন দেখে স্টার কাস্ট কে আছে, তারপর পরিচালক। গল্পের দিকে তাদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। তবে চ্যানেলগুলো নাটকের সার্বিক ব্যাপারে দায়িত্বশীল হলে হয়তো অনেকটা সম্ভব হতে পারে।