গোবিন্দগঞ্জের পশ্চিম সিংগা গ্রামে স্বামীর নিক্ষিপ্ত অ্যাসিডে মুঞ্জু আরা মমির (২৫) শরীর ঝলসে গেছে। তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন।
মমির পিতা আব্দুল মতিন জানান, আবু সুফিয়ানের সাথে মুঞ্জু আরা মমির তিন বছর পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সুফিয়ানকে যৌতুক হিসাবে নগদ ৭০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র প্রদান করা হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে সুফিয়ান বিভিন্ন সময়ে মমিকে মারধর করতো। সুফিয়ান গত রবিবার রাতে মমিকে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা নিয়ে আসতে বলে। কিন্তু সে রাজি না হওয়ায় মারধরের এক পর্যায়ে তার শরীরে অ্যাসিড নিক্ষেপ করে। এতে তার শরীর ঝলসে যায়। এ ঘটনা যাতে কেউ জানতে না পারে এ জন্য তাকে বিনা চিকিত্সায় ঘরে আটকে রাখা হয়। দুইদিন পর মঙ্গলবার রাতে মমির বাবা-মা মমিকে উদ্ধার করে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, প্রাথমিক অবস্থায় তাকে অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়া রোগী হিসেবে সনাক্ত করে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান, মমির পিতা আব্দুল মতিন বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় স্বামী ও শাশুড়ির নামে মামলা করেছেন। আসামিরা ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
