২০১২-১৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশে ফ্রিজের বাজার বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ। যার প্রায় ৭৮ শতাংশ দেশীয় উত্পাদনকারীদের দখলে। আর বর্তমানে দেশে ফ্রিজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১১ লাখ। অন্যদিকে বাংলাদেশে উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উত্পাদন ক্ষমতা ২৩ লাখ। অর্থাত্ উত্পাদন ক্ষমতা চাহিদার দ্বিগুণেরও বেশি। সে হিসাবে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ উত্পাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের রেফ্রিজারেটর ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
অ্যাসোসিয়েশন বলছে, গত অর্থবছরে দেশে রেফ্রিজারেটর বিক্রি হয়েছে ১০ লাখ ৭৭ হাজার। আগের অর্থবছরের চেয়ে যা ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে দেশে তৈরি ফ্রিজ ছিলো ৭৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ (আট লাখ ৩৭ হাজার)। আমদানি হয়েছে ২২ দশমিক ২৭ শতাংশ (দুই লাখ ৪০ হাজার)। আগের অর্থবছরে আমদানিকৃত ফ্রিজ বিক্রি হয়েছে তিন লাখ ১৭ হাজার। অর্থাত্ এ বছর আমদানি করা ফ্রিজের বিক্রি কমেছে ৭৭ হাজার। পক্ষান্তরে দেশে তৈরি ফ্রিজের বিক্রি বেড়েছে তিন লাখ ৪৪ হাজার ইউনিট।
বাংলাদেশে তৈরি হওয়া ব্র্যান্ডগুলো হলো ওয়ালটন, মার্সেল, ইকো প্লাস, যমুনা, আরএফএল, মাইওয়ান এবং মিনিষ্টার। এর মধ্যে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের বার্ষিক উত্পাদন ক্ষমতা ১৪ লাখ, যমুনা ইলেক্ট্রনিক লিমিটেডের উত্পাদন ক্ষমতা তিন লাখ, বাটারফ্লাই ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানী লিমিটেডের উত্পাদন ক্ষমতা (ব্র্যান্ডের নাম ইকো প্লাস) দুই লাখ, আরএফএল ইলেক্ট্রনিক্সের উত্পাদন ক্ষমতা তিন লাখ এবং মাইওয়ান ও মিনিস্টার ব্র্যান্ডের উত্পাদন ক্ষমতা বার্ষিক এক লাখ।
