অনেক সময় পরিবারের সদস্য, অতি আপনজন, অফিসের বস, আত্মীয়-পরিজন এমনকি বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি হয়। তিক্ততা বাড়ে। এব্যাপারে সম্পর্ক উন্নয়নে একটি বিদেশি স্বাস্থ্য বিষয়ক জার্নালে ৪টি পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এসব পরামর্শ হচ্ছে:
এক: যার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন অথবা আরো অধিকতর সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে চান তার মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। যাতে মনে হয় আপনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন।
দুই: কথা বলার সময় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা প্রকাশ করুন এবং যুক্তি ও উপস্থাপনায় যেন বিনয় থাকে। সম্ভব হলে হাতের ইশারার সাহায্য নিন।
তিন: কার ভুল বড় এটা আলোচনায় পরিহার করুন এবং পজিটিভ কথা বলতে চেষ্টা করুন।
চার: অগ্রজ অনুজের পিঠ বা মাথায় স্পর্শ করে রাগ কমানো বা অবস্থার উন্নয়নে চেষ্টা করুন। নিকটজন হলেও স্পর্শ করে কথা বলার চেষ্টা করুন। এমনকি পিতা-মাতা ও সন্তানকে যখন স্পর্শ করে কথা বলেন তখন সন্তানের অনেক ক্ষোভও লাঘব হয়।
একইভাবে সন্তান ও পিতা-মাতাকে ধরে কথা বললে পিতা-মাতার ক্ষোভও প্রশমিত হয়। এর কারণ হিসাবে বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, স্পর্শ অক্সিটোসিস নামক এক ধরনের হরমোনকে বুস্টআপ করে এবং রক্তের কর্টিসোল হরমোন কমিয়ে দেয়। ফলে রাগ ও মানসিক চাপ কমে। ফলে উন্নতি হয় সম্পর্কের।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
