সাবেক মেয়র খোকার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৪, ২২:১২
বঙ্গবাজার ও ঢাকা ট্রেড সেন্টারের কার পার্কিংয়ের স্থানে এবং খোলা জায়গায় দোকান নির্মাণ ও বরাদ্দে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকাসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক মো. মাহবুবুল আলম গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। বাকি সাত আসামি হলেন- সিটি করপোরেশনের মশিয়ার রহমান, মহসিন উদ্দিন মোড়ল, সাহাবুদ্দিন সাবু, মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া, ফারুক হোসেন ও মোতালেব হোসেন। মামলার বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, বঙ্গবাজার ও ঢাকা ট্রেড সেন্টারের কার পার্কিং ও খোলা জায়গায় অবৈধভাবে ৪৯৩টি দোকান নির্মাণ করে তা অস্থায়ীভাবে বরাদ্দ দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন অভিযুক্তরা। দুদক সূত্র আরো জানায়, অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতি করে ৪৯৩টি দোকান বিভিন্নজনের কাছে প্রতি বর্গফুট ১৫ টাকা হারে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দ দিয়েছেন। এস্টেট বিভাগের ২৫২৫ নম্বর নথির নোটশিট পরিবর্তন করে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে দুইটি মার্কেটের মোট ৪৯৩টি দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়। ২০০৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওই নোটশিট পরিবর্তন করে নথিতে স্বাক্ষর করেন সার্ভেয়ার মোতালেব হোসেন, মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া, কানুনগো মোহাম্মদ আলী, সাবেক সম্পত্তি কর্মকর্তা মহসিন উদ্দিন মোড়ল ও সাবেক প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মশিয়ার রহমান। দুদক সূত্র আরো জানায়, বঙ্গবাজারে অস্থায়ী বরাদ্দের মূল কপি গায়েব করে ফটোকপি সংরক্ষণ করা হয়েছে। কানুনগো মোহাম্মদ আলী দোকান বরাদ্দের নথির নোটে প্রতি বর্গফুটের ভাড়া বাবদ ১০ টাকা উল্লেখ করেছিলেন। পরে তা অনুমোদন করেছিলেন সাবেক প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মশিয়ার রহমান। এরপর সাদেক হোসেন খোকা প্রতি বর্গফুটের ভাড়া ১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিলেন। তারা কিসের ওপর ভিত্তি করে মাসিক ভাড়ার হার নির্ধারণ করেছেন, তার কোনো ব্যাখ্যা উল্লেখ করেননি।