সিঁথির ছাপাখানা
আদি সানম
এক যুবতী অন্ধকার, সন্ধ্যা দাঁড়ায়ে—
তার শরীর হতে বেরোচ্ছে জ্যোৎস্না
দারুণ সুখবোধ সমর্পণ করে করে
শাহবাগ আর জাদুঘর-রেখাগণিতে
উঁকি দিয়ে দেখছিল ইতিউতির কবি
আমি তার লুব্ধতায় পাশে দাঁড়াই
মাপছি—নিজের উচ্চতা, কেবল রং
পাখির লবণাক্ত ঠোঁটে নির্মিত সুর
ছেপে যাওয়া গান, অসমাপ্ত বাক্যে
সিঁথির ছায়া ধরে প্রেম আর ছাপাখানা—
মূলত ঘরে ফেরা শিল্প নিয়ে হূদয়স্হলে
কবিতা লেখার সবুজ দিনে এক জাদুঘর
আজো সোনা-রোদের মুখ পেয়ে হাসছে...
অভিমান
শাহানাজ শাম্মী
কেমন করে যেন চলে যাচ্ছে সময়,
হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো,
চোখের পলক ফেলতেই—
সকাল গড়িয়ে রাত, রাত গড়িয়ে সকাল।
হাতের মুঠোয় রাখতে চাই তাকে,
ফসকে গড়িয়ে চুরমার হয়ে যায়।
যেন কূল ভাসানিয়া নদী,
কে বাঁধে, সাধ্য কার এমন—
নিয়মের জালে জড়ায় তারে!!
চুপটি করে বসে থাকি,
স্লিপার পায়ে এক পা দু পা হাঁটি,
কপালের টিপটা খুলে আয়নায় গেঁথে রাখি,
শাড়ির আঁচলে জলছবি আঁকি।
তারপরও সময় সময়ের নিয়মেই চলে,
একবারও বলে না—
ওগো মেয়ে! কোথায় যেন দেখেছি তোমায়!
মনে হয়, যখন ছিলে তুমি ষোড়শী!
দুই বেণিতে রাখতে বেঁধে, স্বপ্ন রাশি রাশি!
চোখের কোণে কালো কাজল!
ঠোঁটে মিষ্টি হাসি!
ওগো মেয়ে! চলো যাই! একবার ঘুরে আসি!!
