চীন বর্তমানে নেপালি কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারকে পশ্চিমাপন্থী এবং চীন বিরোধী হিসেবে দেখে। চীনের এক কর্মকর্তা এমন মন্তব্য করেছেন। বিশেষ করে নেপালে মার্কিন অনুদান মিলেনিয়াম চ্যালেঞ্জ কর্পোরেশন (এমসিসি) নিয়ে নাখোশ চীন।
কাঠমান্ডুতে একজন চীনা কর্মকর্তা বলেছেন, 'আমরা এমসিসি কমপ্যাক্টের সংসদীয় অনুমোদন বন্ধ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু আমাদের কাছে কোনো বিকল্প ছিল না। যে নেতারা আগে কম্প্যাক্টের ব্যর্থতার বিষয়ে আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন এমন কি তারাও মার্কিন চাপে কাঁপতে শুরু করেছিলেন। নেপালভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আন্নাপূর্ণার এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সরকারের এমএমসি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে নেপাল সরকারের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে। এর উদ্দেশ্য ছিল রাস্তার গুণমান বজায় রাখা, বিদ্যুতের প্রাপ্যতা এবং নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। নেপাল ও ভারতের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের সুবিধা দেওয়া– বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে, এবং দারিদ্র্য হ্রাস করতে।
তবে চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে, এমসিসি কমপ্যাক্ট নেপালের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ণ করে এবং ঝুঁকি নিয়ে আসে। গত মাসে, নেপালের প্রতিনিধি পরিষদ ক্ষমতাসীন জোটের মধ্যে কয়েক সপ্তাহের দ্বন্দ্বের পর এমসিসি চুক্তি অনুমোদন করেছে।
দেশটির ক্ষমতাসীন জোট পরবর্তীতে ১২ দফা গ্রহণ করে যা স্পষ্টভাবে বলে যে দলগুলো এমসিসিকে মার্কিন সামরিক কৌশলের অংশ হিসাবে বিবেচনা করবে না।
আনুষ্ঠানিকভাবে এটি পাস হওয়ায় বেইজিং নেপালি নেতাদের সঙ্গে তার সম্পর্কের পুনর্মূল্যায়ন করছে, বিশেষ করে যাদের আগে বিশ্বাস করেছিল ।
