কেউ অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বুধবারও শুটিং করেছেন। কেউ বা কাজের সুবাদেই দীর্ঘ দিনের বন্ধু। বৃহস্পতিবার সকালে খবর এলো অভিষেকের। আচমকা তার মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়: কিচ্ছু বলার নেই মিঠুদা…।
বিদিপ্তা চক্রবর্তী: বলার কোনও ভাষা নেই। তোমার সঙ্গে কাটানো সময়গুলো মনে থাকবে আমাদের। শান্তিতে থেকো মিঠুদা।
কৌশিক রায়: তোমার সঙ্গে কাটানো সব মুহূর্ত মনে থাকবে, মনে পড়বে…।
জিতু কমল: মিঠুদা, এত বড় সিদ্ধান্ত নেবে, সেটা গতকাল বুঝতেই দিলে না… ভাল হল না সিনিয়র!
জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়: এটা ঠিক হল না দাদা…।
সুদীপা চট্টোপাধ্যায়: মিঠুদা, আমরা শোকস্তব্ধ, বাকরুদ্ধ। যে চলে যায়, সে তো চলেই যায়। যারা পড়ে থাকে— শোক তাদের। সংযুক্তাবৌদি আর ওই একরত্তি মেয়েটার সামনে পড়ে অগাধ সমুদ্র...।
সুদীপ্তা চক্রবর্তী: ভাল থেকো মিঠুদা, আর কী বলব বুঝতে পারছি না…!
প্রিয়াঙ্কা মিত্র: কেউ আর দস্যু বলবে না… ফটো তোলার সময়ে বলবে না ‘হাসিতেই ফটো’!
পায়েল দেব: যেখানেই থাকো, ভাল থেকো…।
রাজা চট্টোপাধ্যায়: ভীষণ অভিমান ছিল সে ভাবে মনের মতো চরিত্র পাননি বলে (কারণটা বিতর্কিত)। সকালে জানতে পারলাম মিঠুদা না ফেরার দেশে চলে গেছে। ভাল থেকো মিঠুদা…
পীযুষ সাহা: আজ সুপ্রভাত বলি কী করে! মিঠুদার মৃত্যুর খবর শুনে কিছুক্ষণ আমার কথা হারিয়ে যায়… একসাথে কাজের স্মৃতিগুলো ভিড় জমাচ্ছে…।

