যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দৈনিক ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র চায় ইউক্রেন

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২২, ০৬:০০

ইউক্রেন গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের সামরিক চাহিদার ফর্দ বহুলাংশে বাড়িয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিমান-বিধ্বংসী ও ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। হাতে পাওয়া এক নথির বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, সামরিক সহায়তা হিসেবে অস্ত্র চেয়ে ঐ ফর্দ যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণেতাদের বরাবরে পাঠিয়েছে ইউক্রেন। সেই তালিকায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য স্টিঙ্গার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ট্যাংক-বিধ্বংসী জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্রের চাহিদা বেড়ে গেছে।

বিস্তারিত অস্ত্র সামগ্রীর এ নথিতে দেখা গেছে, ইউক্রেনীয়রা জরুরিভিত্তিতে প্রতিদিন দৈনিক ঐ দুই ধরনের ৫০০টি করে ক্ষেপণাস্ত্র চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। এর আগে সহায়তা চেয়ে যে তালিকা ইউক্রেইন দিয়েছিল, তার চেয়ে এই চাহিদা অনেকটা বেশি। রাশিয়ার অব্যাহত সামরিক হামলার মুখে অস্ত্র ঘাটতি দেখা দিতে পারে জানিয়ে নতুন করে এই অস্ত্রের চাহিদা দিয়েছে কিয়েভ, যা দেখে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো কর্মকর্তাদের মধ্যে কিছুটা আপত্তি তৈরি হয়েছে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, এরই মধ্যে অনেক বেশি সামরিক সহায়তা ইউক্রেনে পাঠানো হয়েছে। 

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার অভিযান শুরুর পর ৭ মার্চের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো সদস্য দেশগুলো প্রায় ১৭ হাজার ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার বিমান-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেইনকে সরবরাহ করে। ঐ সময় থেকেই ন্যাটো দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র ও সরঞ্জামের সরবরাহ চালিয়ে যাওয়ার পাইপলাইন খোলা রেখেছে, এমনকি অস্ত্রের চালানে রাশিয়ার হামলার হুমকির পরও। 

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ ইউক্রেনের জন্য সামরিক সহায়তা হিসেবে যে ৩৫ কোটি ডলারের তহবিল অনুমোদন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস, ঐ সহায়তার অস্ত্রও গত কয়েক দিনে সেদেশে পৌঁছেছে। ১০০ কোটি ডলারের আরো দুটো প্যাকেজ সেখানে পৌঁছাতে শুরু করেছে।

ইত্তেফাক/এএইচপি