‘ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যর্থতা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত’

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২২, ০৭:০০

মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, ইউক্রেনে হামলা চালাতে ব্যবহার করা রাশিয়ার ‘নির্ভুল’ নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যর্থতার হার ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। এই বিষয়ে অবগত তিনটি মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে এই খবর জানানো হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের এই ধারণার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরুর এক মাস পরও রাশিয়া কেন তাদের মৌলিক লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি তা ব্যাখ্যা করা সম্ভব। আগ্রাসনের আগে রাশিয়া যেসব মৌলিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে তার মধ্যে ছিল ইউক্রেনের বিমান বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করা। ইউক্রেনের তুলনায় বিশালাকার সামরিক সক্ষমতা থাকার পরও সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি রাশিয়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তারা অবশ্য তাদের ধারণার পক্ষে কোনো প্রমাণ সরবরাহ করেননি। এছাড়া রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যর্থতার হার বেশি হওয়ার কারণও জানাননি তারা। তাত্ক্ষণিকভাবে ক্রেমলিন কিংবা রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহে জানান, পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়া ইউক্রেনে অন্তত ১ হাজার ১০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্রের কী পরিমাণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে আর কতগুলো ব্যর্থ হয়েছে তা জানাননি তারা। গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে তিন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা রাশিয়ার ব্যর্থতা ভিন্ন ভিন্ন দিনে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হয়েছে। এক কর্মকর্তা বলেন, গোয়েন্দা তথ্যে দেখা যাচ্ছে বিমান থেকে ফেলা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যর্থতার হার ২০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত, যা দিনের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করেছে।

রুশ আগ্রাসনের সময় ক্ষেপণাস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মস্কোর দাবি, ইউক্রেনের অস্ত্র মজুতসহ নানা সামরিক স্থাপনায় এই হামলা চালানো হচ্ছে। রুশ আগ্রাসনে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি ইউক্রেনের ৪ কোটি ৪০ লাখ জনগোষ্ঠীর অর্ধেকই বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আবাসিক এলাকা, স্কুল, হাসপাতালেও বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

ইত্তেফাক/এএইচপি