বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

একাত্তরের গণহত্যাকে স্বীকৃতি দিতে লেমকিন ইনস্টিটিউট ও এইচআরসিবিএমের আহ্বান 

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২২, ১৬:৪৬

একাত্তরে বাংলাদেশিদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নির্মম হত্যাযজ্ঞকে 'জেনোসাইড' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহব্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনরিটিজ (এইচআরসিবিএম) ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন। একই সঙ্গে এর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) এক ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে, এইচআরসিবিএম পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১৯৫ জন বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের বিচারের আওতায় আনার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। এসব কর্মকর্তাকে গণহত্যার জন্য দায়ী হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।  

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনের আয়োজক ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক অ্যাডেল নাজারিয়ান এবং এতে লেমকিন ইনস্টিটিউটের এলিসা ভন জোডেন-ফোরজি এবং আইরিন ম্যাসিমিনোর একটি বিবৃতি অন্তর্ভুক্ত ছিল।  

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'লেমকিন ইনস্টিটিউটে আমরা ক্ষমা চাই কেননা আমরা আজ আপনার সঙ্গে সেখানে থাকতে পারছি না। অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, আমরা ১৯৭১ সালের গণহত্যার বৈশ্বিক স্বীকৃতির জন্য কাজ করার জন্য সমস্ত বাংলাদেশিদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে জোরদার করতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, অতীতের গণহত্যার স্বীকৃতি সামাজিক ন্যায়বিচার, টেকসই শান্তি এবং ভবিষ্যতে গণহত্যা প্রতিরোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।'  

পাকিস্তান সেনাবাহিনী নয় মাস ধরে নির্বিচারে হত্যা, নিরপরাধ মানুষকে নির্যাতন এবং নজিরবিহীন ধর্ষণের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশকে হত্যার ময়দানে পরিণত করেছিল। 

বৃহস্পতিবারের সম্মেলনে বক্তাদের মধ্যে ছিলেন এইচআরসিবিএম-এর নির্বাহী পরিচালক প্রিয়া সাহা এবং এইচআরসিবিএম-এর সভাপতি ধীমান দেব চৌধুরী। তারা জোর দিয়ে বলেন,  যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যা যদি স্বীকৃত না হয় এবং এর শাস্তি না হয়, তাহলে এতে আরও আগ্রাসন এবং দুর্ভোগ বেড়ে যায়। 

ইত্তেফাক/এসআর