ফুলবাড়ীতে চলতি মৌসুমে সুপারির ভালো ফলন হলেও ন্যায্য দাম না থাকায় চরম হতাশায় ভুগছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের সুপারিচাষি কামরুল ইসলাম ও আলম মিয়া চার-পাঁচ বিঘা জমিতে সুপারি চাষ করেছেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর সুপারির ফলন ভালো হওয়ায় খুশি হলেও ফলন অনুযায়ী ন্যায্য দাম না পাওয়ায় তারা দুই জনেই চরম হতাশা ব্যক্ত করেছেন।
ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা এলাকার সুপারি ব্যবসায়ী নবিউল ইসলাম জানান, এ বছর সুপারির ভালো ফলন হয়েছে। তাই এ বছর সাড়ে ৩ লাখ টাকা দিয়ে সুপারির বাগান কৃষকদের কাছ থেকে কিনেছি। কিন্তু চাহিদা না থাকায় এ বছর ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পোন সুপারি বিক্রি হচ্ছে। তাই দাম না বাড়লে এ বছর এক থেকে দেড় লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে।
বালারহাট বাজারের সুপারি আড়তদার শাহজালাল ও সামচুল হক জানান, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সিলেট, খুলনা, কচুয়াসহ কয়েকটি জেলার আলা মজা সুপারির ব্যাপক আমদানি ও রংপুর অঞ্চলে দেশি সুপারির ফলন বেশি হওয়ায় সুপারির বাজারে ধস নেমেছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াছমিন জানান, ফুলবাড়ীতে ১১০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা সুপারির চাষ করেছেন। এ বছর আশানুরূপ ফলনও হয়েছে। তবে দাম না থাকার কারণটা জানা নেই।
