গবেষণা তথ্য প্রকাশ

করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে বেড়েছে বাল্যবিবাহ

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২২, ০১:৩৬

করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেড়েছে বাল্যবিবাহ। শুধু তাই নয়, লকডাউন দীর্ঘায়িত হওয়া ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতাও বাল্যবিবাহ বৃদ্ধির বড় কারণ। ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাল্যবিবাহ ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বৃদ্ধিতে কোভিড-১৯-এর প্রভাব’ শীর্ষক এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে। 

সমীক্ষায় ৪১.৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বাল্যবিবাহ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অন্যদিকে ৩১.২ শতাংশ লকডাউন দীর্ঘায়িত হওয়া এবং ৩৩.৫ শতাংশ অংশগ্রহণকারী সামাজিক নিরাপত্তাহীনতাকে বাল্যবিবাহ বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই গবেষণার ফল তুলে ধরা হয়। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ইউএসএআইডি অর্থায়নে এ গবেষণা পরিচালনা করা হয়। জরিপে ৮৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, বাল্যবিবাহের কারণে শিশু চরম মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মা ও শিশু স্বাস্থ্যের ওপর। এমন কথা বলেছেন জরিপে অংশগ্রহণকারী ৯২.৮ শতাংশ। এছাড়াও শিশুর অপুষ্টি (৮২.১ শতাংশ), বিবাহবিচ্ছেদের হার বৃদ্ধি (৪০.৩ শতাংশ), প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মদান (৪১.৪ শতাংশ) এর মতো তথ্য-উপাত্ত সমীক্ষায় উঠে এসেছে। অনুষ্ঠানে ‘দ্যা জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লুশন (জেসি) প্রমিসিং প্রাকটিস ইন বাংলাদেশ’ নামক নতুন প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগম বাল্যবিবাহ ও জেন্ডার সহিংসতা রোধে সরকার আরো জোরালোভাবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন, ইউএসএআইডির কর্মকর্তা কেইন ডব্লিউ হ্যাসন প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এমএএম