ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের বুচা শহরে ‘গণহত্যার’ অভিযোগে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের ভলোদিমির জেলেনস্কি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে। দেশটির এমন কর্মকাণ্ডের আন্তর্জাতিক তদন্তও দাবি করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া ভাষণে তিনি রাশিয়ার কথিত নৃশংসতার একগুচ্ছ তালিকা তুলে ধরেছেন। একটি ভিডিও উপস্থাপন করে তিনি জানান, বেসামরিক মানুষদের রাস্তায় গুলি করে এবং ট্যাংকের চাপায় পিষ্ট করে মারা হচ্ছে। কিয়েভের কাছে বুচায় বেসামরিক নাগরিকদের দেহাবশেষ রাস্তায় পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে বলেও সতর্ক করেছেন। তবে রাশিয়া যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
বুচার ঘটনা সামনে আসার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও এক দফা নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করেছে যাতে দেশটি থেকে কয়লা আমদানিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন রুশ নাগরিকদের উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। এতে ইউক্রেনে রুশ বাহিনী নৃশংসতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেছেন, রাশিয়ায় নতুন বিনিয়োগে নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। ক্রেমলিনের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারবর্গসহ রাশিয়ার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন নতুন করে যে নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে তার আওতায় পুতিনের দুই কন্যা ছাড়াও দেশটির সবচেয়ে বড় ব্যাংকও থাকছে।
