একটা সময় বলিউডের আদর্শ দম্পতি হিসাবে পরিচিত ছিলেন হৃতিক-সুজান। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুই বদলে যায়। কলেজ জীবনের প্রেম, এরপর ২০০০ সালে বিয়ে। কিন্তু হৃতিক-সুজানের সুখী গৃহকোণে ফাটল ধরে প্রায় দেড় দশক পর। ২০১৪ সালের এই ডিভোর্স চমকে দিয়েছিল বি-টাউনকে। তবে দাম্পত্য সঙ্গী না থাকলেও পরস্পরের বন্ধু তারা। ডিভোর্সের পর দীর্ঘসময় একাই ছিলেন দুজনে, তবে গত বছর থেকে সুজান খানের সঙ্গে আরসালান গোনির সম্পর্কের কথা কানে আসতে থাকে। আর মাস কয়েকের মধ্যেই হৃতিকও খুঁজে নেন তাঁর নতুন সঙ্গী সাবা আজাদকে।
সেই আলোচনার মাঝেই চলতি সপ্তাহে নিজেদের নতুন সঙ্গীকে নিয়ে হৃতিক-সুজান এলেন এক ছাদের তলায়। উপলক্ষ্য গোয়ার পানজিমে সুজানের নতুন রেস্তোঁরার উদ্বোধন। প্রাক্তন স্ত্রীর এই বিশেষ দিনে পাশে থাকতে ভুললেন না হৃতিক। সুজানের রেস্তোঁরার লঞ্চ ইভেন্টের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার সঞ্জয় খান কন্যা নিজে। সেখানে চর্চিত প্রেমিক আরসালান গোনির সঙ্গে হাসিমুখে তিনি পোজ দিলেন প্রাক্তন স্বামী হৃতিক ও তার নতুন লেডি লাভ সাবা আজাদের সঙ্গে।
একগুচ্ছ ছবির ভিডিও কোলাজের মাঝে চর্চিত প্রেমিক যুগলদের একফ্রেমের ছবিই সবচেয়ে নজরকাড়া। ভিডিওর ক্যাপশনে সুজান লিখেছেন, ‘জীবনের সবচেয়ে বড় আর্শীবাদ হল সবসময় শুভ শক্তির দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকা। আর অবশ্যই একটা মেয়ের স্বপ্নপূরণের জন্য প্রয়োজন হয় গোটা একটা গ্রামের। তাই সেরা হৃদয়ের মানুষদের নিয়ে তৈরি আমার এই অসাধারণ গ্রাম (ভিলেজ)…সকলকে ধন্যবাদ এইভাবে আমার পাশে থাকবার জন্য… তোমাদের আমি খুব ভালোবাসি… এভাবেই এগিয়ে চলব’।
এখনও পর্যন্ত নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি হৃতিক-সাবা কিংবা সুজান-আরসালান। তবে মুম্বাই টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে হৃতিক-সুজানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু পূজা বেদী সবটা ফাঁস করেছেন।
গোয়ায় সুজানের রেস্তোঁরার লঞ্চে হাজির ছিলেন পূজাও। তিনি বলেন, ‘আমি খুশি হই যখন দেখি মানুষজন নিজেদের মনের মানুষকে খুঁজে পেয়েছে। যখন তুমি এমন একটা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসো যেটা সঠিকভাবে এগোচ্ছে না, তখন তোমার এগিয়ে যাওয়া উচিত। সেটাই প্রত্যেক মানুষের কাছে কাম্য। জীবনের প্রতিটা অধ্যায়ে তোমার একটা অর্থপূর্ণ সম্পর্ক খুঁজে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি গর্বিত হৃতিক-সুজান নিজেদের মধ্যে যে সম্মানজনক এবং সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছে এবং দুজনের আবারও ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছে।’
