দেশের প্রথম আইটিএস প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২২, ১৫:০১

ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারস্ লি. (এনডিই) ও ফাইবারহোম টেলিকমিউনিকেশন টেকনোলজিস কোম্পানি লি. যৌথভাবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সঙ্গে দেশের প্রথম নিরবিচ্ছিন্ন আইটিএস প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ১৫১ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জয়দেবপুর থেকে রংপুর পর্যন্ত (SASEC করিডর) ২৬০ কিলোমিটার মহাসড়কে যানবহন ও মালামাল ব্যবস্থাপনাটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনটেলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমের (আইটিএস) মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

SASEC রোড কানেক্টিভিটি প্রকল্প-২ (প্যাকেজ-১৫) বাস্তবায়িত হবে এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে। এই চুক্তিটিতে জয়েন ভেঞ্চারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এনডিইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান মুস্তাফিজ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পক্ষে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রকৌশলী একেএম মনির হোসেন পাঠান। 

জয়দেবপুর থেকে রংপুর পর্যন্ত মহাসড়কে আইটিএস এর অংশ হিসাবে ভেরিয়েবল মেসেজ সাইন (ভিএমএস), দুর্ঘটনার স্বয়ংক্রিয় রিপোর্ট ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবহনের ডেটা সংগ্রহের ব্যবস্থা, গতি চিহ্নিতকরণ ব্যবস্থা ইন্সটল করা হবে যা ঢাকাস্থ রোড অপারেশন ইউনিট (ROU) এর ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (TMC) থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। 

পাকুল্লা (টাঙ্গাইল), মহাস্থান (বগুড়া) এবং ইসলামপুর (রংপুর) এ তিনটি স্থানে মিডিয়াম স্পিড ওয়েই ইন মোশন (MSWIM) সিস্টেমসহ এক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশন স্থাপন করা হবে। এই এক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশনের মধ্য দিয়ে যাওয়া যানবাহনের ওজন এবং শ্রেণি স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড করা হবে এবং তা TMC-তে পাঠানো হবে। অতিরিক্ত ওজন পাওয়া গেলে, সেগুলি সিস্টেমের দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সড়ক ও মহাসড়ক এবং অন্য কোনও প্রাসঙ্গিক এনফোর্সমেন্ট কর্তৃপক্ষকে আরও চেকিং বা পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য রিপোর্ট করা হবে।

এনডিই.-এর পক্ষ থেকে, সলিউশনটি যৌথভাবে সম্পাদন করবে এর সহযোগী সংস্থা এনডিই সলিউশনস লি. এবং এমসিসি লি.। এনডিই সলিউশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ এসএ হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য দারুণভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি ভবিষ্যতে প্রযুক্তি নির্ভর অনেক প্রকল্পকের পথকে প্রশস্ত করবে। 

এমসিসি-এর চেয়ারম্যান মাকসুদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পটি পরিবহন নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক গতিশীলতার ব্যাপক উন্নতি ঘটাবে। প্রযুক্তি কীভাবে আমাদের দেশের অবকাঠামো উন্নত করতে পারে এটি হবে তার একটি নিখুঁত উদাহরণ।

আশা করা হচ্ছে, প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর নাগাদ শেষ হবে। 

ইত্তেফাক/কেকে