সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশটা স্লোগানে আর ভাষণে স্বাধীন হয় নাই। দেশটা স্বাধীন হয়েছে যুদ্ধ করে বহু রক্তের বিনিময়ে। কাজেই দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে জনগণকে প্রস্তুত থাকতে হবে আরেকটি গণতান্ত্রিক যুদ্ধের জন্য।
সোমবার (১৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকার নবাবগঞ্জে কলাকোপা পুকুর পাড় খন্দকার বাড়ির আঙ্গিনায় আয়োজিত ঢাকা জেলার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিএনপির পৃথক দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, স্লোগান আর ভাষণ দিয়ে এই জালিম সরকারকে পতন ঘটানো সম্ভব নয়। যারা দেশের মঙ্গল চান সকলকে ঐক্য বদ্ধ থাকতে হবে। সরকার ও সরকারের প্রশাসনের চাপের মুখে আমরা যেন আন্দোলনের মাঠে একত্রিত থাকতে পারি। আজ সরকার বিএনপিকে ভয় পায় বলেই এই সম্মেলনকে খোলা মাঠে করার অনুমতি দেয় নাই।
তিনি বলেন, দরবেশ বাবারা দেশ চালাচ্ছেন। এই দরবেশ বাবারা জনগণকে ভয় পায় বলেই তারা বিরোধী দলকে সভা সমাবেশ করতে দেয় না। আপনারা দরবেশ বাবাদের ভয়ে ভীত হবেন না কয়েকদিন পর দেখবেন এই দরবেশ বাবারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, বিএনপি দেশের জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে প্রতিবেশী দেশের সাথে সুসম্পর্ক রাখবে দেশটাকে দেউলিয়া করে নয়। তিনি জনগণের উদ্দেশে বলেন এ সরকার একটি মামলা বাজ, ধোঁকা বাজ, ধান্ধা বাজ সরকার এ অবৈধ সরকারকে আর বিশ্বাস করা যায় না আপনারা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন। আপনারা সাহসের সঙ্গে সকল চক্রান্তের মোকাবেলা করুন এবং মাঠে থাকুন। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যে অপশক্তি সেই অপশক্তিকে খুব শিগগিরই দেশের জনগণ মুক্ত করবে।
নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আজাদুল ইসলাম হাই পান্নুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আব্দুস ছালাম আজাদ, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার আবু আশফাক, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন, অ্যাড. নিপুন রায় চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সম্মেলনে আজাদুল ইসলাস হাই পান্নুকে সভাপতি ও আবুল কালাম খন্দকারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বিএনপির কমিটি ঘোষণা করা হয়।
পরে দুপুরে একই স্থানে নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সম্মেলনের মাধ্যমে দোহার উপজেলা বিএনপির কমিটি ঘোষণা করেন। এতে নজরুল ইসলাম মেছের কে দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মাসুদ পারভেজকে সাধারণ সম্পাদক ও জীবন বেপারীকে সহসভাপতি নির্বাচিত করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়।

পানি বৃদ্ধি: হাওরাঞ্চলের বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা
কোটালীপাড়ায় বঙ্গবন্ধু ১০০ ধানের ভালো ফলন