ব্যাংককস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন করা হয়েছে। দূতাবাস ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দূতাবাসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে দূতাবাসের মিনিস্টার (কনস্যুলার) জনাব আহমদ তারেক সুমীন ও কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান জনাব মো. মাসূমুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দূতাবাসের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মিজ দয়াময়ী চক্রবর্ত্তী।
আলোচনা আগে দূতাবাসের মিনিস্টার (কনস্যুলার) আহমদ তারেক সুমীন মেহেরপুরের আম্রকাননে মুজিব নগর সরকার গঠনের সামরিক দিকগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। রাষ্ট্রদূত মো. আব্দুল হাই তার বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিত বীরাঙ্গনাদের অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন যাদের চূড়ান্ত আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।
তিনি বলেন, মুজিব নগর দিবস আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি এ দিবসটির সামরিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রে জনগণের সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, তারই প্রতিফলন ঘটেছে ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানে।
অনুষ্ঠানে দিবসটির ওপর নির্মিত একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
