কুষ্টিয়ায় সরকারি তিনটি স্কুলের সংস্কার কাজে বরাদ্ধকৃত অর্থ লোপাট ও আত্মসাতের অভিযোগে তিন প্রধান শিক্ষক, প্র্রকৌশলী, শিক্ষা কর্মকর্তা ও পরিচালনা পর্ষদের তিনজন সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। গত ১৮ ও ১৯ এপ্রিল পৃথক তিনটি মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (সংযুক্ত) আলমগীর হোসেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মাছুয়াঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজে ২ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্ধের মধ্যে ৫০ হাজার ৮২৫ টাকা, ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুকূলে বরাদ্ধকৃত ২ লাখ টাকার মধ্যে ৭০ হাজার ১৭৩ টাকা এবং মামুদানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরাদ্ধকৃত ২ লাখ টাকার টাকার মধ্যে ৫৭ হাজার ২২৮ টাকা আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি টাকা আত্মসাত করেন।
মামলার আসামিরা হলেন খোকসা উপজেলার মাছুয়াঘাটা স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিকর্ণ কুমার বিশ্বাস, স্কুল পরিচালনা পর্ষদ ও উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল আখতার, প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ বেলাল, ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুল হক ও সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং মামুদানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার বিশ্বাস ও সভাপতি মহিমা রঞ্জন মৈত্র। পৃথক এ তিন মামলাতেই শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ বেলালকে আসামি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মাছুয়াঘাটা স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (আসামি) বাবুল আখতার জানান, আমার জানামতে স্কুলের সংস্কার কাজে কোন অনিয়ম কিংবা সরকারী টাকা আত্মসাত করা হয়নি। তবে দুদকের দায়েরকৃত মামলাটি আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে তিনি জানান।

অপহরণের ১০ দিন পর দুই বোন উদ্ধার, আটক ২