খালেদার কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ১৩ জুন

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২২, ১৬:১১

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ১৩ জুন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক রুহুল ইমরান শুনানির এ দিন ঠিক করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবীরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার বিশেষ জজ-২ এর বিচারক এএইচএম রুহুল ইমরান পরবর্তী শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়া ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান (মৃত), সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া (মৃত), সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী (মৃত), সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী আলী আহসান মো. মুজাহিদ (মৃত), এম কে আনোয়ার (মৃত), এম শামসুল ইসলাম (মৃত), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমিনুল হক (মৃত), একেএম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এসআর ওসমানী, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও খনির কাজ পাওয়া কোম্পানির স্থানীয় এজেন্ট হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন। এদের মধ্যে মৃতদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

খালেদা জিয়া। ছবি: সংগৃহীত

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম এবং রাষ্ট্রের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতি ও আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় এই মামলা দায়ের করা হয়। ওই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০১৮ সা‌লের ৮ ফেব্রুয়ারি কারগারে যান। কারা হেফাজ‌তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সরকারের নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত করে গত বছর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় রয়েছেন।

ইত্তেফাক/এএএম