শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৫ আশ্বিন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সদ্যবিদায়ি চেয়ারম্যানরাই

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২২, ০২:০১

বিলুপ্ত ৬১টি জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে সদ্যবিদায়ি চেয়ারম্যানরাই দায়িত্ব পেয়েছেন। নির্বাহী কর্তৃত্বের পরিবর্তে রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন তারা। প্রশাসক হিসেবে তাদের মেয়াদ ছয় মাসের বেশি নয়। আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন পরিষদ গঠন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন নতুন প্রশাসকরা। বুধবার (২৭ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত আদেশ জেলায় জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমরা প্রজ্ঞাপন জারি করেছি। তাদের দায়িত্ব বুধবার থেকেই শুরু হয়েছে। তবে প্রশাসক হিসেবে তাদের মেয়াদ কোনোভাবেই ছয় মাসের বেশি হবে না।

আইনানুযায়ী প্রশাসকদের মধ্যে কেউ নির্বাচন করতে চাইলে পদত্যাগ করে নির্বাচন করতে হবে। প্রতীকে নির্বাচন না হলেও দল থেকে মনোনীত প্রার্থীরাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তবে নির্দলীয় এই নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর আগ্রহ নেই।

উপসচিব মোহাম্মদ তানভীর আজম ছিদ্দিকী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এর ধারা ৮২ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রশাসক নিয়োগের পূর্ব পর্যন্ত উক্ত আইনের ধারা ৭৫-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রত্যেক জেলা পরিষদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা পরিচালনার জন্য বিদায়ি চেয়ারম্যানদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হলো। ৬১টি জেলা পরিষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় গত ১৭ এপ্রিল পর্ষদগুলো বিলুপ্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এসব পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের আগ পর্যন্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হয় পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের।

এদিকে, মেয়াদোত্তীর্ণ ৬১টি জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরপরই জেলা পরিষদের নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী তিন মাসের মধ্যে জেলা পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ ইত্তেফাককে বলেন, তিন মাসের মধ্যে জেলা পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে জেলা পরিষদের সীমানা এবং ভোটার তালিকা করার কাজ শেষ হবে। আশা করছি, ঈদের পরপরই জেলা পরিষদের তপশিল ঘোষণা করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

ইত্তেফাক/ ইআ