দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভিড়

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২২, ১৩:১৩

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র ৪ দিন বাকি। স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে ফিরতে শুরু করছে মানুষ। ভোগান্তি দুর্ভোগ ঝুঁকি মাথায় নিয়েই নাড়ির টানে ছুটতে শুরু করেছে রাজধানীর ঢাকাসহ আশপাশের জেলার কর্মজীবী মানুষ। 

তবে এবারের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে স্থানীয় প্রশাসন নিয়েছেন নানা উদ্যোগ।মহাসড়কের শৃঙ্খলা বজায়ে রাখতে কাজ করছে পুলিশ। 

আজ শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ যাত্রীই লোকাল বাসে পাটুরিয়া ঘাটে এসে ফেরি ও লঞ্চে পারাপার হচ্ছে। এছাড়া মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখাই বেশি দেখা যায়। পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে করে ঝুঁকি নিয়েই ফিরছে এসব মানুষ। 

আজ সকালে সরেজমিন দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা মেলে এমনই চিত্র। ভোর থেকেই প্রতিটি ফেরিতে প্রাইভেটকার মোটরসাইকেল এবং সাধারণ লোকাল যাত্রী পারাপার হতে দেখা যায়। এসময় ফেরিতে দূরপাল্লার তেমন কোনো পরিবহন চোখে পড়েনি। প্রতিটি মোটরসাইকেলেই আরোহী ছাড়াও দু-একজন করে সহযাত্রী রয়েছে। কোনো কোনো মোটরসাইকেলে আবার নারী ও শিশু রয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই ফিরছে তারা।

তাদের অনেকেই বলেন, যানজট এড়াতে ঝুকি নিয়েই মোটরসাইকেল নিয়ে রওয়ানা হয়েছি।গরমের মধ্যে লং রোডে মোটরসাইকেল নিয়ে আমরা গ্রামে ফিরছি। কারণ গত দুইটি মহামারি করোনার কারণে গ্রামের সবার সঙ্গে যদি ঈদ করতে পারিনি। এবার তাই আগের ভাগেই গ্রামে যাচ্ছি।

এদিকে, মহাসড়কের শৃঙ্খলা বজায়ে রাখতে কাজ করছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সড়কে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয় সেজন্য তারা সতর্ক রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, মোটরসাইকেলে ৩জন করা চলাফেরা করা অবৈধ। কিন্তু আপনারা দেখছেন যারা ঈদে ঘরে ফিরছে তাদের বেশির ভাগের মোটরসাইকেলেই পুরো পরিবার নিয়ে যাতায়াত করছেন। এখন আমরা কী করবো? মানবিক দিকটা বিবেচনা করেই আমরা সড়কে শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে কাজ করছি। আশা করছি, সবাই একটু সহযোগিতা করলে এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চললে সড়কে কোনো দুর্ঘটনা হবে না।

ইত্তেফাক/কেকে