কক্সবাজারের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডজন মামলার আসামি মিনহাজুল আবেদীন রকিকে (৩২) গ্রেফতার করেছে র্যাব। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে শহরের এসএম পাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে শুক্রবার বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি বিল্লাহ উদ্দিন।
গ্রেফতার রকি কক্সবাজার শহরের সমিতি বাজার এবিসি ঘোনা এলাকার মৃত শফিকুর রহমান ওরফে শফিক্কা চোরার ছেলে।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি বিল্লাহ উদ্দিন বলেন, গেল এক মাস ধরে তার অপরাধ কর্মকাণ্ডের উপর নজর রেখেছিল র্যাব। সশস্ত্র অবস্থায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করে রকি। কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের আলীর জাহাল পশ্চিম এসএমপাড়ার জনৈক গিয়াস উদ্দিনের মালিকানাধীন রাজ ম্যানশনের ৪র্থ তলায় রকির ভাড়া বাসায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতে বৈঠক চলার খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। র্যাব ঘটনাস্থল হতে মিনহাজুল আবেদীন রকিকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার বোন জেসমিন আক্তার (২৫), তাদের সহযোগী সরোয়ার কামাল (৩০) পালিয়ে যায়। ভাড়া বাসার টয়লেটের ছাদের উপর রক্ষিত কালো শপিং ব্যাগ মোড়ানো অবস্থায় ১টি ওয়ানশুটারগান ও ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রকি তার অপরাধ কর্মকাণ্ডে নতুন করে জড়িয়ে পড়ার নানা তথ্য দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা শেষে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়দের মতে, শহরের ছিনতাইকারীদের শীর্ষ অভিযুক্ত ছিল রকি বাহিনী। যার নেতৃত্ব দিতেন মিনহাজুল আবেদীন রকি। ১০ মামলার আসামি হয়েও প্রকাশ্যে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি ভূমিদস্যুতা, মাদক পাচারসহ নতুন করে অপরাধে জড়িয়ে পড়ে রকি। পুলিশি খড়গ এড়াতে সাংবাদিকদের সঙ্গেও সবসময় সময় কাটাতেন। এতে নিরাপদ বোধ করে, নীরবে আবারো সক্রিয় হয় রকি বাহিনীর সদস্যরা।

কক্সবাজারে অপহরণের ৩ দিনের পর অপহৃতকে উদ্ধার
রোহিঙ্গাদের বেদনার কথা শুনলেন ড্যানিশ রাজকুমারী