রোববার, ০৩ জুলাই ২০২২, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থী মুখর বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব যমুনা পাড়

আপডেট : ০৫ মে ২০২২, ১৫:০১

ঈদ-উল ফিতর উৎসবকে ঘিরে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড় যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভ্রমন বিলাসীদের ঢল নেমেছে। যমুনার সৌন্দর্য্য, সূর্যাস্ত ও বঙ্গবন্ধু সেতু দেখার জন্য দর্শনার্থীরা ভিড় জমিয়েছেন।  

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীরা নৌকায় চড়ে যমুনার সৌন্দর্য্য উপভোগ করছে। নদীকে থাকা রেল সেতুর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন রকমের জাহাজ, বঙ্গবন্ধু সেতুর নিচ দিয়ে চলন্ত নৌকায় বেড়ানোর আনন্দ কয়েক ধাপ বেড়েছে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের। 

জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন তার পরিবার পরিজন নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু সংলগ্ন যমুনা নদীর তীরে বেড়াতে আসছে। দীর্ঘ দুই বছর করোনার কারণে বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় এবার পরিবার পরিজন নিয়ে ছুটে এসেছেন তারা। নৌকা দিয়ে উপভোগ করছেন যমুনার অপার সৌন্দর্য। একদিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর সৌন্দয্য ও পাশেই নির্মিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর কাজ। রেল সেতুর কাজকে কেন্দ্র করে নদীতে ছোট বড় জাহাজ রয়েছে। এতে সৌন্দর্য্য আরো বেড়েছে। এতে নদীতে ২০ মিনিট ঘুরতে জনপ্রতি নেয়া হচ্ছে ৫০ টাকা করে। এতে অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে নৌকা ভাড়া করে ভ্রমণ করছে। 

নৌকা চালক ইয়াকুব আলী ও ইদ্রিস আলী বলেন, যমুনা ব্রীজের নিচ দিয়ে ঘুরে আসতে ২০ মিনিট সময় লাগে। জনপ্রতি ৩০/৫০ টাকা নেয়া হয়। স্বাভাবিক সময়ে তেমন লোকজন হয় না। কোন কোন দিন এক দেড়শ টাকা আয় হয়। তবে ঈদের কয়েকদিন আয় রোজ ভালই হয়। ঈদের সময়ে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা আয় করা যায়।

নৌকার মাঝিরা জানান, ঈদের দিন থেকেই ঘুরতে আসা মানুষের সংখ্যা বেড়েঝে মানুষজন তাদের পরিবা পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসছে যমুনা নদীর পাড়ে। ঈদকে কেন্দ্র করে আয়-উপার্জন বেশি হয়। 

ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, পরিবার পরিজন নিয়ে বেড়ানোর জন্য বঙ্গবন্ধু সেতুর যমুনা নদীর পাড় এলাকাটি খুবই সুন্দর। ইচ্ছে করলে কেউ নৌকা নিয়ে রেল সেতুর কাজ দেখার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু সেতু দেখতে পারছে। এছাড়া রেলসেতু কাজের জন্য নদীতে রাখা জাহাজগুলো। তবে যমুনা নদীর পাড়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে পারলে সরকার যেমন রাজস্ব পাবে তেমনি মানুষজন নিরাপদে বেড়াতে পারবে। 

বঙ্গবন্ধু সেতু নৌ পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ মো, ফজলুল হক মল্লিক বলেন, যমুনা নদীর পাড়ে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য সকল ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। নৌপথসহ দর্শনার্থীদের যাতে কোন ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয় সেই লক্ষে কাজ করা হচ্ছে।

 

ইত্তেফাক/এআই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

নিজের বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেই বিনা বেতনে পড়ালেখার সুযোগ

মির্জাপুরে বিক্রির জন্য প্রস্তুত ৫ হাজার কোরবানির পশু 

জরাজীর্ণ ক্রীড়া সংস্থার ভবন যেন মরণ ফাঁদ

মির্জাপুরে কাঁঠালের ফলন ও দাম ভালো

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

মির্জাপুরের কাঁঠাল যাচ্ছে অন্য জেলায়, ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকরা 

৯ কিলোমিটার রাস্তাই যেন মরণ ফাঁদ  

২৫ গ্রামের মানুষের দুঃখ আট কি.মি. কাচা সড়ক

ভূঞাপুরে বন্যার পানি কমছে