ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের ৮ কিলোমিটারে ভোগান্তি

আপডেট : ০৮ মে ২০২২, ১৬:৪৮

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে সল্লা পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়কে ছিল পরিবহনের ধীরগতি। এতে চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

জানা গেছে, ঈদের পর মানুষ কর্মস্থল ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। এছাড়া যাত্রী নিয়ে ঢাকায় যাওয়া বিভিন্ন জেলার লোকাল পরিবহনগুলো নিজ নিজ জেলায় যাচ্ছে। সঙ্গে যোগ হয়েছে মালবাহী ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোসহ ব্যক্তিগত পরিবহনগুলো। এতে যানবাহনগুলো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চারলেনের সুবিধা পেলেও মহাসড়কের এলেঙ্গা-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব ১৩ কিলোমিটার দুইলেন সড়কে প্রবেশ করছে। এতে সড়কে গাড়ির চাপ বেড়ে যায়। ফলে ভোররাত থেকে মহাসড়কের এলেঙ্গা হতে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব ৬ কিলোমিটার এবং সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড় হতে সেতুপূর্ব টোলপ্লাজা পর্যন্ত সড়কে পরিবহনের ধীরগতি ছিল।

এদিকে ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৩৮ হাজার ১১৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৫১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৫০ টাকা। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম টোলপ্লাজা অতিক্রম করে ঢাকাগামী পরিবহন পার হয়েছে ২৫ হাজার ৬০৭টি। এতে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৫২ লাখ ৯৩ হাজার ২৫০টাকা। এছাড়া সেতুর পূর্ব টোলপ্লাজা অতিক্রম করে উত্তরবঙ্গগামী পরিবহন পার হয়েছে ১২ হাজার ৫০৬টি। এতে টোল আদায় হয়েছে ৯৯ লাখ ১০০ টাকা।

পরিবহনের চালকরা জানান, ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত চারলেনের সুবিধা পেলেও ১৩ কিলোমিটার সড়ক দুইলেন। এই দুই লেনে গাড়ি প্রবেশের পর ধীরগতিতে চলাচল করতে হয়। এতে গাড়ির চাপ ওই দুইলেনে গিয়ে ঠেকে। 

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ভোর থেকে মহাসড়কে পরিবহনের চাপ ছিল। তবে দুপুরের পর পরিবহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করছে।

ইত্তেফাক/ইউবি