শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ১০ আষাঢ় ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ পিতাপুত্রসহ ৩ রোহিঙ্গার মৃত্যু

আপডেট : ১৮ মে ২০২২, ১০:৫৬

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ পিতাপুত্রসহ তিনজন ৬ দিনের মাথায় মারা গেছেন। গত ১২ মে ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন সূত্রপাত ঘটে। দুর্ঘটনায় দগ্ধ ৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুর ও সন্ধ্যায় তারা মারা যান বলে জানিয়েছেন ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন-১৪ এর অধিনায়ক (এসপি) নাইমুল হক নাইম। 

নিহতরা হলেন, ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকের আজগর আলীর ছেলে নুরুল আলম (৫৯), তার ছেলে আনোয়ার কামাল (১২) ও ক্যাম্প ১/ইস্ট, ব্লক ডি/৪'র আলী আহমেদের ছেলে হাফিজুল মোস্তফা (৭)।

১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক নাইমুল হক জানান, গত ১২ মে কুতুপালং ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ হয়। এসময় তার স্ত্রী চুলায় রান্না বসাতে গেলে আগুন ধরে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। তাতে ঘরে ও আশপাশে থাকা ছয়জন দগ্ধ হন।

আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে বার্ন ইউনিটে তারা সবাই চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ অবস্থায় দুপুরে বাবা নুরুল আলম, বিকেলে ছেলে আনোয়ার সন্ধ্যায় অপরজন মারা যায় বলে জানানো হয়। 

ক্যাম্প ১/ইস্ট, ব্লক ডি/৪ এর হেড মাঝি তৈয়ব জানান, উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে ১২ মে সকালে ক্যাম্প ১/ইস্ট এর ব্লক-ডি ৪ এ রোহিঙ্গা নুর আলমের ঘরে গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ হন নারী শিশুসহ ৬ জন রোহিঙ্গা। দগ্ধ সবাইকে ক্যাম্পে এনজিও হাসপাতালে ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের সবাইকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পিতাপুত্রসহ তিনজন মারা যান।

ইত্তেফাক/এসজেড

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

কক্সবাজারে পুকুরে গোসল করতে নেমে প্রাণ গেলো কলেজ ছাত্রের

বিশেষ সংবাদ

কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কা 

টেকনাফে সোয়া কেজি ক্রিস্টাল মেথসহ যুবক গ্রেফতার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি করে হত্যার অভিযোগ 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

বগুড়ায় চলন্ত বাসে এসি বিস্ফোরণে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

ঝুট গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুরে ঝুটের গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট

বিশেষ সংবাদ

কক্সবাজারে পাহাড়ধস আতঙ্কেও সরছে না বাসিন্দারা