লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ শোক জানিয়েছে। শুক্রবার (২০ মে) পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তার মাধ্যমে এ শোক জানানো হয়।
শোকবার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছে।
সওগাত পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা, জয় বাংলার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। তিনি দৈনিক সংবাদ, দৈনিক ইনসাফ, দিলরুবা, দৈনিক জনপথ পত্রিকায় সাংবাদিকতায় কর্মরত ছিলেন।
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক, বাংলা অ্যাকাডেমি পদক, ইউনেস্কো পদক, বঙ্গবন্ধু পুরস্কারসহ জাতীয় আন্তর্জাতিক একাধিক পুরস্কারে ভূষিত হন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মে) যুক্তরাজ্যের লন্ডনের বার্নেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দেশের এই বরেণ্য মানুষের মৃত্যুতে সর্বস্তরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) আশিকুন্নবী চৌধুরী জানান, মরদেহ হাসপাতাল থেকে ছাড় পাওয়ার পর শুক্রবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেন জামে মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার মরদেহ সেখানকার আলতাব আলী পার্কে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন জানায়, সংশ্লিষ্ট সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরহুম আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহ আগামী সপ্তাহে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যত দ্রুত সম্ভব ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহ বাংলাদেশে নেওয়ার দিনক্ষণ হাসপাতালের ছাড়পত্রের ওপর নির্ভর করছে।

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে আইজিপির শোক