টানা দরপতনের অস্হিরতা রোধে মার্জিন ঋণের সুবিধা বাড়িয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা জারি এবং শেয়ারবাজারকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অর্থমন্ত্রীর বিভিন্ন দিকনির্দেশনার পর উত্থানে ফিরেছে। টানা আট কার্যদিবসে যে পরিমাণ সূচকের পতন হয়েছে গতকাল সোমবার তার এক-পঞ্চমাংশ ফিরেছে শেয়ারবাজারে।
গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১৮ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৬১ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে। ডিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৫ দশমিক ২৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১২ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩২ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ৩৭৬ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে এবং ২ হাজার ৩০৯ দশমিক ৭৫ পয়েন্টে।
ডিএসইতে গতকাল টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৬৫৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকার। যা আগের কার্যদিবস থেকে ২৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা কম। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৮২ কোটি ২১ লাখ টাকার।
গতকাল ডিএসইতে ৩৭৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৪৩টির বা ৯১ দশমিক ২২ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ১৯টির বা ৫ দশমিক ০৫ শতাংশের এবং ১৪টির বা ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৩৩০ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪০৮ দশমিক ২২ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৭৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ২০৮টির, কমেছে ৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির দর। আজ সিএসইতে ২৪ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
