বঙ্গোপসাগর ও ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরে বাংলাদেশের গুরুত্ব
পৃথিবী নামক আমাদের এই গ্রহটি নামকরণ করা হয়েছে মানুষ দ্বারা যারা আবশ্যিকভাবে এই গ্রহেরই প্রাণী। কিন্তু মহাকাশ থেকে একজন, অন্য গ্রহের বা ছায়াপথের দর্শনার্থী, প্রথমবারের মতো আমাদের গ্রহ আবিষ্কার করার ক্ষেত্রে কীভাবে তার প্রতিক্রিয়া দেখাবে? তার এখন পর্যন্ত দেখা অন্যান্য গ্রহের বিপরীতে, সে এমন একটি গ্রহ দেখতে পাবে যার ৭১ শতাংশ পানিতে আচ্ছাদিত, আর মহাদেশীয় ভূমিগুলো যা ভাসমান দ্বীপ এর মতন মহাসাগরে বিস্তৃত। সে সমস্ত মহাসাগরগুলোকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হিসাবে উপলব্ধি করবে। এ ধরনের এক মহাকাশীয় পরিদর্শক সম্ভবত আমাদের এই গ্রহটির নাম দেবে 'ওশেনা'।
মহাকাশ থেকে আমাদের মহাসাগরের নিকটবর্তী হয়ে, আমাদের আন্তঃগ্যালাকটিক দর্শক পূর্বে বিশাল প্রশান্ত মহাসাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিক মহাসাগর এবং এই মহাসাগরীয় ভূমণ্ডলের কেন্দ্রে ভারত মহাসাগরকে দেখতে পাবে (পৃথিবীর ভূগোলবিদরা ভারত মহাসাগরকে মহান 'গ্রেট মিডল বে' বলে উল্লেখ করেছেন)। আরও নিকটবর্তী হয়ে, আমাদের আন্তঃগ্যালাক্টিক পরিদর্শক এই গ্রেট মিডল বের 'অপেক্ষাকৃত ছোট মিডল বে' হিসাবে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর, বঙ্গোপসাগরকে দেখতে পাবে। এখন, প্রলুব্ধ হয়ে আরও নিকটবর্তী গিয়ে, মহাকাশ থেকে আগত আমাদের দর্শনার্থী এই উপসাগরের শীর্ষে অবস্থিত বাংলাদেশকে এই মহাসাগরীয় গ্রহের কেন্দ্রস্থল হিসাবে দেখবেন।
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক উন্নয়ন ও ঐতিহ্য
এই বিশাল সামুদ্রিক গ্রহের কেন্দ্রস্থলের ভৌগলিক অবস্থানের জন্য বাংলাদেশ তার ঐতিহাসিক ঐতিহ্য এবং বর্তমান গুরুত্ব লাভ করে। আমরা যেন ভুলে না যাই যে, প্রাক-ঔপনিবেশিক বাংলা অনাদিকাল থেকে সুপরিচিত ছিল সম্পদশালী দেশ হিসেবে। ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময়, বেঙ্গল ছিল তার তিনটি প্রশাসনিক প্রেসিডেন্সির মধ্যে সবচেয়ে বড়, যেখানে ছিল সর্বোচ্চ জিডিপি এবং এর গ্রীষ্মকালীন রাজধানী 'শিলং', মাথাপিছু জিডিপির মধ্যে ছিল সর্বোচ্চ।
বেঙ্গল-এ এমন উল্লেখযোগ্য কী ছিল যা এতো মনোযোগ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল? ঐতিহাসিকভাবে, এটি প্রাথমিকভাবে হয়েছিল কারণ মায়ানমার, মালয়েশিয়া, সুমাত্রার উপকূলীয় বন্দর মালাক্কা হয়ে আরও পূর্ব দিকে বিস্তৃত নদী সংবহন ব্যবস্থা ও সামুদ্রিক লেনের দ্বারা বঙ্গোপসাগরের বিস্তৃতির জন্যে। ১৮৪৪ সাল থেকে ঔপনিবেশিক ব্রিটেন, এই প্রাক-বিদ্যমান নদী সংবহন ব্যবস্থায় রেলওয়ে নেটওয়ার্ক যোগ করে। নদীপথের সাথে রেলপথ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধির ফলে, ঐতিহাসিক বেঙ্গল একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন দেশ হয়ে ওঠে, যা সমুদ্রপথে পশ্চিম ও পূর্ব গোলার্ধের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছিল। এই সেতুবন্ধন ভূমিকার কারণেই ঐতিহাসিক বাংলার বিকাশ ঘটে।
আধুনিক বাংলাদেশ, আজ, ইতিমধ্যেই পশ্চিম ও প্রাচ্যের মধ্যে একটি সংযোগ প্রদানকারী হিসাবে কাজ করার সুবিধাগুলি পেতে শুরু করেছে। গত এক দশকে এর প্রবৃদ্ধি এবং মনোযোগ আকর্ষণ করার ক্ষমতা এবং বিনিয়োগ প্রবাহ, এই সদ্য প্রতিষ্ঠিত মর্যাদার কারণে হয়েছে। এই কৃতিত্বের প্রাপ্য দাবিদার শেখ হাসিনার সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্ব, যা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না, যিনি পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীদের সাথে আরও ভাল দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক নিশ্চিত করার গুরুত্ব ভালভাবে বোঝেন এবং ১৯৪৭ এর পূর্বে বিদ্যমান সমস্ত সংযোগের পুনরুদ্ধারের জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ, যা ১৯৬৫ সালের পরে পদ্ধতিগতভাবে উপড়ে ফেলা হয়েছিল।
গ্লোবাল কমন্সে বাংলাদেশের অবস্থান ও ভূমিকার পুনর্মূল্যায়ন
আজ বাংলাদেশ কোনো কম গুরুত্বপূর্ণ দেশ নয়। এটি অবশ্যই আর "তলাবিহীন ঝুড়ি" উপাধিপ্রাপ্ত দেশ নয়, যেটি ১৯৭১ সালে নব্য ঔপনিবেশিকতা থেকে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করেছিল। এটি শুধুমাত্র একটি রাষ্ট্র হিসাবেই টিকে থাকেনি, বরং আজ বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে দ্রুত অর্থনৈতিক বর্ধনশীল একটি দেশ হিসাবে সম্মান ও প্রশংসার সাথে শুধু এই অঞ্চলে নয়, বরঞ্চ সারা বিশ্বে বিবেচনা করা হয়, যার জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই জাতির পিতা কর্তৃক গৃহীত মৌলিক নীতি সমূহকে (বঙ্গবন্ধু: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির স্থপতি, দ্য ডেইলি স্টার, ৭ মে, ২০২০)। বাংলাদেশীরা আজ গর্বের সাথে দাবি করতে পারে যে তাদের মানব উন্নয়ন সূচক তাদের অন্যান্য প্রতিবেশীর চেয়ে ভালো। একটি জাতি হিসাবে রক্তাক্ত মুক্তির আড়াই প্রজন্মের পরে, বাংলাদেশে আজ একটি প্রাণবন্ত তরুণ জনসংখ্যা রয়েছে যারা অধীর আগ্রহে উন্মুখ, উচ্চ আকাঙ্কায় পরিপূর্ণ, অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী এবং তাদের জাতি ও আজ পর্যন্ত তাদের অর্জনের জন্য গর্বিত, যারা কিনা কারো দ্বারা প্রভাবিত বা নির্দেশিত হওয়ার মতো নয়। এর ব্যবসায়ী সম্প্রদায় তার উদ্যোক্তা প্রতিভা ও উদ্দীপনা প্রদর্শন করেছে তাদের স্বভাবজাত চেতনাবোধ থেকে এবং এর জাতীয় প্রবৃদ্ধির চাকাকে ত্বরান্বিত রেখে।
শেখ হাসিনার সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল করে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে গেছে। এই একই নেতৃত্ব বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতিকে একটি মধ্যপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষ, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরেছে, যার মধ্যে তীব্র গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, যা মৌলবাদ, সন্ত্রাসবাদ এবং যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীলতার প্রতি একদম ই অসহনশীল। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী এবং এর বৈশ্বিক শান্তি-নির্মাণের প্রচেষ্টায় সর্বাধিক সংখ্যক সামরিক, পুলিশ এবং বেসামরিক কর্মীদের অবদানের মাধ্যমে, বাংলাদেশ সবার জন্য শান্তি ও ন্যায়বিচারের প্রতি তার মূল অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে।
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, এর শিক্ষাগত ভিত্তিকে শক্ত, প্রশস্ত ও প্রসারিত করা, নারীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা যে কোনো রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য এর প্রথম পর্যায়ের অগ্রগতি, সুসংহতকরণ এবং স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি। এটি সামাজিক ন্যায্যতা, সমতা, সুশাসন এবং সকলের জন্য ন্যায়বিচার সহ মানবাধিকারের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে। বেশিরভাগ উন্নত শিল্পোন্নত দেশগুলি শতাব্দী আগে এই একই পথ অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশীরা এখন উন্নয়নের এই দ্বিতীয় ধাপ অতিক্রম করছে।
সমৃদ্ধির সম্ভাবনা: আগামী ৫০ বছর বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক
আজ, প্রায় সব বড়, মধ্য বা ছোট শক্তিশালী রাষ্ট্রের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হল এশিয়া। প্রসঙ্গত, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল কৌশলগতভাবে এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এশিয়ার একেবারে কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি সেতুবন্ধনকারী দেশ হিসাবে বিবেচিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশের প্রতি ক্রমবর্ধমান মনোযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের সমৃদ্ধি এই ভূমিকা থেকে শুরু হয়েছে ও অব্যাহত থাকবে; এবং এটি কাছাকাছি বা দূরের সকল দেশের সাথে সর্বোত্তম সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে।প্রকৃতপক্ষে, একটি রাষ্ট্র হিসেবে এর টিকে থাকা এবং অব্যাহত সমৃদ্ধি নির্ভর করে এর ভূ-কৌশলগত অবস্থানের সুবিচারপূর্ণ ব্যবস্থাপনার ওপর।
একই সাথে, এই অবস্থানগত সুবিধা এবং গুরুত্ব বাংলাদেশের উপর একটি গুরুদায়িত্ব। বিস্তীর্ণ বৈশ্বিক সামুদ্রিক কমন্সে বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে বিনামূল্যে সামুদ্রিক যাত্রার সুবিধা প্রদানকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের অবশ্যই পারস্পরিক বোঝাপড়া করতে হবে এই জন্য যে, এতে তার নিজস্ব বৃহত্তর স্বার্থের পাশাপাশি সবার সাধারণ স্বার্থও রয়েছে। যাইহোক, এটি নিশ্চিত করার জন্য এই অঞ্চলের জনগণ এখন পর্যন্ত যতটা আঞ্চলিক সহযোগিতা করেছে বা করছে, তার চেয়ে বেশি আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন। বাংলাদেশ সবসময় প্রতিবেশীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার জোর সমর্থন করে। এটি ধারাবাহিকভাবে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রচারে তার সামর্থ্যের বেশি প্রচেষ্টা করেছে, যা সার্ক, বিমসটেক এবং আইওআরএ গঠনে সক্রিয় ভূমিকার পাশাপাশি বিবিআইএন-এর মধ্যে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এর সক্রিয় ভূমিকা থেকে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।বাংলাদেশ এখন বঙ্গোপসাগরের অন্যান্য উপকূলীয় এবং সংলগ্ন দেশগুলির সাথে যৌথভাবে কাজ করার চিন্তা করতে পারে এবং করা উচিত (যারা একসাথে বিশ্বের জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ) যারা অর্থনৈতিক সহযোগিতায় পরস্পর জড়িত। এই ধরনের সহযোগিতা সাংগঠনিকভাবে 'বঙ্গোপসাগর অর্থনৈতিক সম্প্রদায়' গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে, যার মোট জিডিপি শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন অতিক্রম করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকা পালনে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করতে পারে।
বাংলাদেশের গুরুত্বের পরিপ্রেক্ষিতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রয়োজন, ঠিক যেমন বাংলাদেশের পরস্পর নির্ভরশীল উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন। অবশ্য, বাংলাদেশকেও তার নিজের নাগরিকদের জন্য সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সমতাভিত্তিক অধিকার প্রদান নিশ্চিত করে নিজের উন্নত শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে উদাহরণস্বরূপ তার ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। যাইহোক, এই প্রচেষ্টায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ২৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা তার জাতি গঠন এবং রাষ্ট্রীয় একত্রীকরণে তার নিজের অনেক চ্যালেঞ্জের কথা স্মরণ করবে যা তাকে অতীতে অতিক্রম করতে হয়েছিল। আজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার নিজের কঠিন অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে, যেটি মাত্র ৫০ বছর আগে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে যাত্রা শুরু করেছিল। এটি বাংলাদেশকে নিজস্ব সক্ষমতা-নির্মাণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নিয়ম-ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করতে পারে, যা এর বর্তমান এবং পূর্ববর্তী ক্ষতি নিরসনে ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে প্রাচীন ইন্দো-প্যাসিফিক সংযোগের অংশ ছিল এবং এটি ঘোষণা করছে যে, এই অঞ্চলে ভবিষ্যতে সংযোগ নিশ্চিতকারী হিসেবে এর কাজ অব্যাহত থাকবে।বাংলাদেশে তার নিজস্ব স্বার্থে একটি উন্মুক্ত, স্থিতিশীল এবং আন্তঃসংযুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের পক্ষে ওকালতি এবং কাজ করে যাবে, কারণ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম সমৃদ্ধ জাতি-রাষ্ট্র হিসাবে এর ভবিষ্যৎ এর উপর নির্ভর করে।একটি ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাসী এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গত ৫০ বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তার বাধ্যতামূলক নির্ভরশীলতার জায়গা থেকে দূরে সরে এসেছে, এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে তাকে বাংলাদেশের মতো তুলনামূলক নতুন জাতি-রাষ্ট্রর সাথে ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক নির্ভরশীলতা প্রচারের মাধ্যমে আগামী ৫০ বছরের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
এটি ওয়াশিংটন, ডিসি এবং সিয়াটেলের ন্যাশনাল ব্যুরো অফ এশিয়ান রিসার্চ (এনবিআর) দ্বারা প্রকাশিত একটি নিবন্ধের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ। তারিক করিম একজন অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত এবং বর্তমানে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের সেন্টার ফর বে অফ বেঙ্গল স্টাডিজের পরিচালক। এই নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব।
অনুবাদ: অনন্য জামান এবং আব্দুল্লাহ-হিল-শাফী

সক্ষমতা এবং সাহসের প্রতীক এই সেতু
আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বাড়তি বরাদ্দের প্রত্যাশা
আসন্ন বাজেট ও শিক্ষা খাতের বরাদ্দ
অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বড় ফোরামে যেতে হবে বাংলাদেশকে